সিসি নিউজ: এক সময়ের তুখোড় ছাত্র ও যুব নেতা প্রবাসী শাহীন খান আবারো দিনাজপুরে রাজনীতিতে ফিরছেন। বিএনপি’র সংকটময় মূহুর্তে তিনি আবারো দলের হাল ধরতে দেশেই অবস্থান করছেন। আমেরিকা প্রবাসী শাহীন খান রাজনীতিতে ফিরে এসে দিনাজপুরেই থাকতে চান বলে জানিয়েছেন। ঈদ-উল-ফিতরের আগে দেশে ফিরে তিনি ইতোমধ্যে নেতা-কর্মীদের সাথে গণসংযোগ শুরু করেছেন। দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার তৃর্ণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছেন। তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন। যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন,ইয়াসমিন আন্দোলনসহ দিনাজপুরে অসংখ্য আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী এই শাহীন খান। দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের তৎকালীন নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শাহীন খান ৯০ এর গণঅভুস্থানের দিনাজপুর জেলা সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক ছিলেন। যুবদলেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার হাত ধরে অনেকে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে এসেছেন। কেউ কেউ ভালো অবস্থানে গিয়েছেন। পরবর্তীতে জেলা বিএনপি’র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। বিএনপি সরকার পতনের পর তিনি স্ব-পরিবারে আমেরিকায় অবস্থান নেন। আমেরিকার নাগরিক এই শাহীন খান কর্মজীবনের পাশাপাশি সেখানেও প্রবাসীদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র নেতৃত্ব দেন।
এক সাক্ষাতকারে শাহীন খান জানান, জেল-জুলুমের কড়াল গ্রাসে আজ জিয়ার সৈনিকরা নিস্পেষিত। জুলুম ও নির্যাতনের শিকার ।অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় দিনাজপুরে আজ জাতীয়তাবাদী শক্তি বিএনপি অবিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্রয়াত মন্ত্রী বেগম খুরশিদ জাহান হক চকলেট আপা, জননেতা আশরাফুল আলম ও মুকুর চৌধুরী’র মৃত্যুর পর দিনাজপুরে কোন ঠাসা হয়ে পড়েছে জেলা বিএনপি’র নেতৃত্ব। তাই, আসন্ন দিনাজপুর জেলা বিএনপি’র কাউন্সিলে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে জেলা বিএনপি’র পাশে দাঁড়াতে চাই। হাল ধরতে চাই দলের। দলীয় নেতা-কর্মীরা চাইলে পৌর বিএনপি’র হাল ধরেই এগিয়ে যেতে চাই। অবস্থান করতে চাই নিজ মাতৃভূমিতেই। এটা এখন নির্ভর করছে নেতা-কর্মীদের মনোনয়নের উপর।
তাই ঈদ-উল-ফিতরের আগে দেশে ফিরে শাহীন খান নেতা-কর্মীদের সাথে গণসংযোগ শুরু করেছেন। দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার তৃর্ণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছেন। তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন। যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে।