• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ফর্সা নারীর স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি

stonঢাকা: স্তন ক্যান্সার যেন এক আতঙ্কের নাম। আর দিনকে দিন বেড়েই চলেছে এই ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হবার ভয়। গবেষণাও চলছে অনেক। আসছে নিত্যনতুন ফলাফল। এই যেমন নতুন একটি গবেষণা বলছে নারীর জীবনযাত্রাও স্তন ক্যান্সার হবার ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা প্রভাব বয়ে এনে থাকে। গবেষণাটি আরো একটি তথ্য যোগ করেছে। সেটি হলো ফর্সা নারীদের সাধারণত শ্যামলা বা দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের থেকে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার প্রবণতা একটু বেশি দেখা যায়। তবে এই স্তন ক্যান্সারের পরিমাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে নারীর জীবন যাপন ও খাবারের অভ্যাস এবং কতগুলো সন্তান আছে সেটা।

ব্রিটিশ জার্নাল অব ক্যান্সারে প্রকাশিত গবেষণাটি পরিচালনা করেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষকদল। এই গবেষণা থেকে দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের অন্যান্য নারীদের চেয়ে ১৮ শতাংশ কম স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে। আর যেসব নারীর গায়ের রঙ কালো তাদের রয়েছে ১৫ শতাংশ কম ঝুঁকি।

গবেষণাটি আরো শোনাচ্ছে যেসব নারীদের বেশি সন্তান থাকে এবং যদি তারা অনেকদিন ধরে সন্তানদের স্তনপান করান তাহলে তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায় অনেকটা।

স্তন ক্যান্সার নিয়ে পরিচালিত এই গবেষণার প্রধান গবেষক তোরাল গাথানি বলেন ‘সব নারীর জন্যই স্তনক্যান্সারের জন্য যেসব রিস্ক ফ্যাক্টর আছে সেসব ভালোভাবে জানা দরকার। ওবেসিটি, বেশি বেশি অ্যালকোহল গ্রহণ এসব বাড়িয়ে দিতে পারে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি। তাই নারীরা এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণে রেখে কমিয়ে দিতে পারেন নিজেদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি।’

আর হ্যা, স্তন ক্যান্সারের ব্যাপারে আর একটি দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতেই হবে। সেটা হলো স্তনে যেকোন ধরনের পরিবর্তন যেমন এর আকার, নিপল বা ত্বকে পরিবর্তন দেখলে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যান। হয়তো সব ক্ষেত্রে ক্যান্সারই বের হয়ে আসবে এমনটা নয়। তবে কোনো সমস্যার শুরু হয়ে থাকলেও সেটা শুরুতেই সমাধান করা সহজ হবে। যত দ্রুত সমস্যাটা টের পাবেন তত দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই সহজ হবে সমাধান করা। সূত্র: গার্ডিয়ান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ