আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদির স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন অবসরপ্রাপ্ত এক নারী শিক্ষক। সোমবার এনডিটিভি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পশ্চিম গুজরাটের ৬২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নারী শিক্ষক জাশোদাবেন এ দাবি করেন।
ওই নারীর দাবি, ১৭ বছর বয়সে তাঁকে বিয়ে করেন মোদি। বিয়ের তিন বছর পর ছাড়াছাড়ি হয়। তাঁকে ছেড়ে চলে যান মোদি। এরপর তাঁদের মধ্যে আর যোগাযোগ হয়নি।
সাক্ষাৎকারে ওই নারী বলেন, ‘আমি জানি, তিনি (মোদি) একদিন প্রধানমন্ত্রী হবেন।’ জাশোদাবেন জানান, মোদি তাঁকে কখনো স্ত্রী হিসেবে স্বীকার করবেন না ভেবে তাঁর খারাপ লাগে না। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, নিয়তি ও খারাপ সময়ের কারণে এমনটা করেছেন তিনি।’
মোদির গোপন বিয়ে নিয়ে আগেই অভিযোগ ওঠে। ২০০৯ সালে স্কুল শিক্ষক ওই নারীকে আবিষ্কার করে একটি সাময়িকী। তখন তিনি কোনো ধরনের সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানান। একই সঙ্গে জানান, তিনি তাঁর ক্ষমতাশালী স্বামীর ভয়ে ভীত।
শিক্ষকতা থেকে অবসর নেওয়ার পর পশ্চিম গুজরাটের একটি গ্রামে এক ভাইয়ের সঙ্গে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন জাশোদাবেন। ১৪ হাজার রুপি করে অবসরভাতা পান তিনি। সাক্ষাৎকারে জাশোদাবেন দাবি করেন, মোদি তাঁকে আরও পড়ালেখা করার জন্য চাপ দিতেন।
নিজেদের দাম্পত্য জীবনকে চমৎকার ছিল বলেও দাবি করেন জাশোদাবেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কখনো ঝগড়া হতো না। আমরা একসঙ্গে তিন বছর কাটিয়েছি। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যেন তিন মাস। এই সময়ে তাঁর (মোদি) সবকিছু আমি পড়ে ফেলেছি। তিনি আমাকে আর কখনো ফোন দেবেন বলে মনে হয় না।’ এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে নরেন্দ্র মোদি কখনোই কোনো মন্তব্য করেননি।