• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খুনের আসামি যুবলীগের ‘বিশেষ’ অতিথি!

choncholনিউজ ডেস্ক: মিল্কি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চলের খোঁজ পাওয়া গেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। নিউইয়র্ক যুবলীগের এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যও দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর যুবলীগের (উত্তর) বহিষ্কৃত এ সাংগঠনিক সম্পাদক দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ও চেয়েছেন বলে বিডিনিউজের বরাত দিয়ে বুধবার খবর ছেপেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

চঞ্চল যুবলীগ নেতা মিল্কি হত্যা মামলার সাত নম্বর আসামি। গত বছর ৩০ জুলাই চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি ফেরারি। কিন্তু গত ২ ফেব্রুয়ারি বহিষ্কৃত এই যুবলীগ নেতাকে নিউইয়র্কে সংগঠনেরই এক আলোচনা সভায় দেখা গেছে। সেখানে তাঁকে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ যুবনেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে, চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অনেক নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন যুবলীগ নেতা জানান, পুলিশের হুলিয়া থাকলেও আগস্টের শেষার্ধে নিউইয়র্কে এসে চঞ্চল স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন।

রাজধানীর গুলশানে শপিং মল শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে গত ৩০ জুলাই রাত ১টার দিকে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্কিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শপার্স ওয়ার্ল্ডের সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা চিত্রে দেখা যায়, প্রাইভেট কার থেকে মিল্কি নামার পর সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি ও টুপি পরা এক যুবক বাম কানে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে মিল্কির সামনে এসে ডান হাতে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে প্রথমে একটি গুলি ছোড়েন। গুলিবিদ্ধ মিল্কি বাম দিকে হেলে মাটিতে পড়ে হামাগুড়ি দিতে থাকেন। ওই যুবক এ সময় তাকে লক্ষ্য করে সাত-আটটি গুলি ছোড়েন। এর পর পেছন থেকে এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এলে গুলিবর্ষণকারী যুবক এর পেছনে বসে চলে যান। সে সময় আরেক যুবককেও গুলি ছুড়তে দেখা যায়।

ফিল্মি স্টাইলে এই হত্যাকাণ্ড যে এলাকায় ঘটেছে, সেই গুলশান-বাড্ডা এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল। অন্যতম সন্দেহভাজন আরেক যুবলীগ নেতা জাহিদ সিদ্দিক তারেক ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। এই তারেকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন চঞ্চল।

এ ঘটনায় গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় তারেকসহ ১১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এতে চঞ্চল সাত নম্বর আসামি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ