চট্টগ্রাম: মাত্র ১২০ রান করেও নাম্বার ওয়ান শ্রীলঙ্কাকে পুরো ২০ ওভার খেলতে বাধ্য করেছে বাংলাদেশ। শেষ বল পর্যন্ত গড়িয়েছে ম্যাচ। আর সেই বলে ফরহাদ রেজাকে চার মেরে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের সংগ্রহ কম হলেও অতোটা সহজে জয় পায়নি লঙ্কানরা। বাংলাদেশের বোলাররা দারুভাবে সফরকারীদের চেয়ে ধরে। কিন্তু আবারো হারটা বাংলাদেশকেই মানতে হয়েছে। তবে শ্রীলঙ্কার জয়ের পেছনে পেরেরা এবং সাঙ্গাকারার ৪৬ রানের জুটিটি বড় অবদান রেখেছে। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সাঙ্গাকারা ৩৭ এবং থিসারা পেরেরা ৩৫ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে মাশরাফি দুটি উইকেট নেন। এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে স্কোরবোর্ডে তিন রান যোগ হতেই সাজঘরে ফিরেন তামিম ইকবাল (২) ও শামসুর রহমান শুভ (১)। রানের খাতা খোলার আগে দিলশানের বলে মালিঙ্গার হাতে জীবন পান শামসুর রহমান শুভ। একবল পরেই ব্যাক্তিগত স্কোরে ১ রান যোগ হতেই দিলশানের বলে সাজঘরে ফিরলেন শুভ। ক্যাচটি ধরেন দিনেশ চান্দিমাল। এক কথায় নিজের উইকেটটি বিলিয়ে দিয়ে এলেন চট্টগ্রাম টেস্টের শতকধারী শামসুর রহমান। পরের ওভারে কুলাসেকারার বলে থার্ড ম্যান অঞ্চলে মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দেন তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে আনমুলকে সাথে নিয়ে ৩৫ রান পর্যন্ত দলকে টেনে নিয়ে যান সাকিব আল হাসান। কিন্তু ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারলেন না সাকিব। সুচিত্রা সেনানায়েককে মিড অন দিয়ে উঠিয়ে মারতে গিয়ে কুলাসেকারার অসাধারণ ক্যাচে সাজঘরে ফিরেন সাকিব। আউট হবার আগে সাকিব ও আনামুল মাত্র দশ বলে ৩২ রান করেন। এক ওভার পরই সেনানায়েকের বলে কুশল সিলভার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন আনামুল হক বিজয় (২৪)। এরপর আর ঘুরে দাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১২০ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন অভিষিক্ত সাব্বির রহমান রুম্মন। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলে ৩৬ বলে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন তিনি। বাউন্ডারি হাকান মাত্র ২টি।