নিউজ ডেস্ক: তোমরা সুন্দর হও, তোমাদের মনটা বড় করতে হবে, স্বপ্নটাকে বড় করতে হবে, তাহলে একদিন বাংলাদেশ সুন্দর হবে-শিশুদের প্রতি এ আহ্বান জানিয়েছেন অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।
শুক্রবার বিকেলে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অ্যালোহা অ্যাবাকাস অ্যান্ড মেন্টাল এরিথমেটিক ফেস্টিভ্যাল-২০১৪ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিশুদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
আলোহা বাংলাদেশের উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী আলোহা শিশুরা সেখানে মাত্র পাঁচ মিনিটের ভেতরে ৭০টি অংকের সমাধান করে তাক লাগিয়ে দেয়।
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ শিশুদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের শৈশব আমাদের কৈশোর, আমাদের তরুণ বয়স যতটা সুন্দর হবে পরবর্তী জীবন ততটা সুন্দর হবে। সুতরাং একটা জাতিকে যদি আমরা সুন্দর করতে চাই তার কৈশোরকে, তার তারুণ্যকে সুন্দর করে দিতে হবে।”
তিনি শিশুদের বলেন, “তোমরা সুন্দর হও। তোমাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে গেলে তোমাদের মনটাকে বড় করতে হবে, স্বপ্নটাকে বড় করতে হবে, জীবনটাকে সুন্দর করতে হবে, আলোকময় করতে হবে। এসব কিছু যদি তোমরা কর এবং যা কিছু মানবিক, যা কিছু তোমাকে স্পর্শ করে এবং ভালো কাজগুলো যদি তোমরা কর তাহলে তোমরা সুন্দর মানুষ হবে। তাহলে একদিন বাংলাদেশ সুন্দর হবে।”
আলোহা শিশুদের এই আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এয়ারটেল বাংলাদেশের প্রধান সেবা কর্মকর্তা মিস রুবাবা দৌলা, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ডিজিএম (ব্র্যান্ড মার্কেটিং) মো. শফিকুল ইসলাম তুষার প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া থেকে আগত আলোহা ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা লোহ মুন সাং।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, এবং রংপুর বিভাগের তিন শতাধিক স্কুলের প্রায় ১০০০ শিক্ষার্থী এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সবশেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি, আলোহা কার্যক্রমের ওপর একটি প্রামান্য পরিবেশনা দেখান শিক্ষার্থীরা।
এবারের এই আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার ছিল নতুন বার্তা ডটকম, ঢাকা ট্রিবিউন, কালের কণ্ঠ। প্রাইম স্পন্সর- ফ্রুটিকা, প্ল¬টিনাম স্পন্সর- ফ্রেস মিল্ক পাওডার, গোল্ড স্পন্সর- নভোএয়ার, ইগলো আইসক্রিম এবং আল হাসান ডায়মন্ড গ্যালারী ও স্ট্যাট্রিজিক পার্টনার প্রেসমিট।
আইএসও অনুমোদিত আলোহা শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় এই মুহূর্তে শিক্ষা নিচ্ছে পৃথিবীর ২৮টি দেশের ৫০ লাখের অধিক শিশু। এসব দেশের মধ্যে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, চীন, মালয়েশিয়া, স্পেন, সিরিয়া, সৌদি আরব এবং প্রতিবেশী ভারত।
জাপানি গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাবাকাস শিক্ষা শিশুদের মস্তিষ্ক এমনভাবে বিকশিত করে যাতে তারা তাদের দৈনন্দিন পাঠ্য প্রতিটি বিষয়ে আরো বেশি দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের শিশুদের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে আলোহা বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চমৎকার এ ধারণাটি মালয়েশিয়া থেকে এদেশে আনে এবং তার সফল প্রয়োগ করে।