• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নদী ভাঙনে হুমকির মুখে চাঁদপুরের আনন্দবাজার

SAM_0869শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর: চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী আনন্দবাজার এলাকার মানুষ এখন নিঘূম রাত কাটাচ্ছেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার মৌসূমে নদী ভাঙনের কবলে এলাকার মানুষ। মেঘনায় বিলীন হতে বসেসে মানুষের শত আশা আকাঙ্কা। এপর্যন্ত প্রায় দু’শত পরিবারের ঘর নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তরপুরচন্ডী আনন্দবাজার  ৮ ও ৯ ইউনিয়ন নিয়ে ঘটিত। প্রায় এখানে ছয় শতাধীক পরিবার বসবাস করে। আর এসব পরিবারের মধ্যে শতকরা ৯৫ ভাগ জেলে পরিবার। তাদের একমাত্র উপার্জনের পথ হচ্ছে নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা। আর এসব মানুষ বর্ষা এলেই ভয়ে ভয়ে দিন কাটতে থাকে কখন তাদের বাড়ি ঘর নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। তরপুরচন্ডী আনন্দবাজার এলাকায় রয়েছে, কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা যেখানে এলাকার শিশুরা পড়া লেখা করে থাকে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানও এখন নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। মাত্র কয়েকটি ঘরের পরেই এসব প্রতিষ্ঠাত।
এলাকাবাসী জানায়, প্রতি বছর এসময়টাতে আমাদের ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। এত বছরের মধ্যে সরকারি কোন পক্ষ থেকে সহযোগীতা করা হয়নি। প্রতি বছর আশায় আশায় বুক বেধে রাখি কখন এই নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাব। এলাকার মানুষ কিছু চায় না শুধু কোন রকম ভাবে গাইড ওয়াল তৈরী করে দিলে হয়তবা আমরা এ থেকে রক্ষা পাব। এছাড়া ২০০৭ সালে চাঁদপুরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি স্কুল তরপুরচন্ডী আনন্দবাজার স্কুল মাঠে আমাদের আশ্বাস দিয়ে ছিলেন নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের জন্য নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে এর স্থায়ী ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন ধরনের সহযোগীতা পায়নি। অন্যদিকে এলাকারবাসীর পক্ষ থেকে আমরা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডে স্বারক লিপি প্রদান করলেও কেউই একটু এস দেখে যায়নি।
তরপুরচন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান সর্দার রফিকুল ইসলাম বলেন, তরপুরচন্দী আনন্দবাজার এলাকার মানুষ প্রতি বছরই নদী ভাঙনের কবলে পড়ে। ইউনিয়ন পরিষদ বা সরকারি কোন অর্থ এপর্যন্ত আসেনি। আমি চেয়ারম্যান হিসেব আমার পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগীতা করা প্রয়োজন তা করছি। যাদের ঘর নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রত্যেককেই আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সহযোগীতা করছি। এলাকার মানুষ যাতে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পায় তার জন্য আমি চেষ্ট চালিয়ে যাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ