শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহন বাঁশি স্মৃতি সংসদের আয়োজনে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে শৈশবের আনন্দময়তাকে স্মৃতি করে তোলার লক্ষে শিশুদের নিয়ে ছড়া উৎসব প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে ছড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার। ছড়া উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. পীযূষ কান্তি বড়–য়ার সভাপতিত্বে ও চিরঞ্জীব ৭১ উদযাপন কমিটির সমন্বয়ক রাশেদ শাহরিয়ার পলাশের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য সাহিত্য একাডেমীর মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত, মতলব কচিকাচার মেলার সভাপতি মাকসুদুল আলম বাবলু, চতুরঙ্গ সাংস্কৃতিক সংগঠনের মহাসচিব হারুন আল রশিদ, আমরা মুক্তিযুদ্ধার সন্তান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস মোরশেদ জুয়েল, ফার্মাস ব্যাংক ফরিদগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান পাটোয়ারী, ছড়া উৎসব প্রতিযোগিতার সদস্য সচিব মজিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার বলেন, যারা নিজেদের পেশার বাইরে থেকে শিল্প সাংস্কৃতিতে এতো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুধু নিজেরা প্রতিষ্ঠিক হয়ে ক্ষান্ত হনয়ি,আপনারা আজকের শিশুদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ করছেন। যে শিশু শিল্পিরা তো সুন্দর ভাবে ছবিগুলো ফুটিয়ে তুলেছে আমি দেখে মুব্ধ হয়েছি। আমি অবিভাবকদের বলতে চাই যা কিছু ভাল আপনারা তার প্রতি সন্তানদের ধাবিত করুন। আমি পেশার জন্য আসি না। আমার সব কিছু ভাল লাগে তাই আপনাদের মাঝে চলে আসি। আমি মানুষের সাথে না মিশলে কাজ ও আপনাদের সেবা করতে পারবো না। চাঁদপুর শিল্প-সাংস্কৃতিতে একটি মডেল হিসেবে তৈরী হবে। তাই আজকের শিশুদের আগামী দিনে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শিশুদের উৎসাহিত করতে হবে। আলোচনা শেষে শিশু শিল্পীদের ছড়া প্রতিযোগিদের মাঝে পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হয়।
চাঁদপুরে ইলিশের ডিমে সয়লাব
ইলিশের ডিমের প্রচার চাহিদা রয়েছে দেশ ও বিদেশে। চাঁদপুরে ইলিশের চেয়ে ডিমের চাহিদা বেশি হওয়ায় সি’ফুডগুলো চড়াদামে ইলিশের ডিম কিনে মৌজুদ করছে। এই ইলিশের ডিম চাঁদপুর থেকে ১২শ টাকা কেজি দরে ক্রয় করে আড়ৎ দাররা ১৫শ টাকায় সি’ফুডে বিক্রি করছে। মাছের চেয়ে ডিমের দাম বেশি থাকায় ডিমওয়ালা ইলিশের দাম বেড়ে চলছে বাজারে। চাঁদপুর ম্যৎস্য মণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান কালু ভূইয়া বলেন, ইলিশের ডিম বাজারজাত বন্ধ করতে হবে। আর এই ডিমওয়ালা মাছ বাজারজাত বন্ধ না হলে মা ইলিশ রক্ষা কার্যক্রম ব্যর্থ হবে। আড়ৎ গুলোতে যারা লবন দিয়ে মাছ কেটে সংরক্ষণ করে মূলত তাদের মাছগুলোতেই বেশি ডিম ওয়ালা মাছ পাওয়া যায়। এখানে আসা ইলিশ মাছগুলোর মধ্যে যেগুলো নরম হয়ে যায় সেগুলোকেই লবন দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। তাই সারা বছর লোনা ইলিশ নামে বাজারজাত হয়েে থাকে। চাঁদপুরে মা ইলিশকে রক্ষা করতে হলে ডিমের বাজারজাতসহ সঠিক সময়ে ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকার বন্ধ করতে হবে। অভিযান শেষ হলেও দেখা যায় বেশির ভাগ ইলিশের পেটে ডিম থেকে যায়। তাহলে এই অভিযানের কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।