সিসি নিউজ : মনের অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন- ভোটারের কাছে এমন আবেদন জানিয়েছেন সৈয়দপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর মো. জিয়াউল হক জিয়া। নিজের মূল্যায়ণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, জনগণের আপদে-বিপদে থাকি বলেই জনগণ আমাকে তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত করেছে। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকলে অবশ্যই আগামীতে নির্বাচিত হবো।
জিয়াউল হক জিয়া ১৯৮৬ সালে জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেন। ১৯৯১ সালে ওয়ার্ড বিএনপি, ১৯৯৬ সালে পৌর বিএনপির সহ: সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে বিএনপি’র সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক জীবনে সরকারের রোষানলে পরে তিনি দু’বার জেলে গিয়েছিলেন।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আদেশে ১ মাস ১৩ দিনের জন্য পূর্ণাঙ্গ মেয়র জিয়াউল হক জিয়া সিসি নিউজকে বলেন, এ ওয়ার্ডে বর্তমান ভোটারের সংখ্যা ৫হাজার ২শত। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ অবাঙ্গালী ভোটার। উন্নয়নের কথা প্রসঙ্গে জানান, জলাবদ্ধতা দূর করতে তিনি মহল্লায় মহল্লায় নতুন নতুন ড্রেন নির্মাণ করার পাশাপাশি বার্মাসেল থেকে পচানালা পর্যন্ত বড় ড্রেন নির্মাণ করেছেন। কাঁচা রাস্তাগুলো পাকাকরণ করা হয়েছে। আধুনিকায়ন করা হয়েছে শেরু হোটেলের পাশে গণশৌচাগারটি। ওয়ার্ডে মাদক দূর করতে তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন আর এজন্য মাদকের সাথে জড়িতরা মিথ্যা মামলায় দিয়ে তাকে হয়রানি করা হয়েছিল।
আগামীতে নির্বাচিত হলে জনগণের জন্য কি করবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রসুলপুরে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে আবাসিক এলাকা গড়ে তুলেছি। আগামীতে নির্বাচিত হলে ওই আবাসিক এলাকাটিকে আধুনিকায়ন করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো। ফিদা আলী ইন্সটিটিউটের পাশে গভীর নলকুপ স্থাপন এবং সেখান থেকে ক্যানেল পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া নগর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে খাস জমি উদ্ধার করে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র ও অবাঙ্গালী তিনটি ক্যাম্পে বহুতল ভবন নির্মাণ।