সিসি নিউজ: সৈয়দপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাশেম সরকার দুলু সিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ১৯৯৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় একটি স্বেচ্ছাসেবি প্রতিষ্ঠানের (কনসান) প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এ ওয়ার্ডের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নামী চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় এক সময় ওই প্রতিষ্ঠানটি চুক্তি শেষ হওয়ায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে এ ওয়ার্ডের মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকে। এমতাবস্থায় নিজ উদ্যোগে এ ওয়ার্ডের মানুষের জন্য কমিটি গঠন করে স্বাস্থসেবা কার্যক্রম চালু রাখতে সক্ষম হয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে ওই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে চিকিৎসাসেবার এ কার্যক্রম পূর্ণরায় চালু করবো।
দুলু বাংলাদেশ আ’লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। বর্তমানে রাজনৈতিক ওই দলটির পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি। বিগত নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করে বলেন, টানা দু’বার নির্বাচনে জয়ী হয়ে কাউন্সিলর হিসেবে ওয়ার্ডবাসীর সেবা করেছি। দীর্ঘ এ সময়ে মনের অজান্তে ছোট ছোট ভুলত্রটি অনেক বড় হয়ে আমার পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাছাড়া বারবার একই মুখ ওই পদে আসীন না করে নতুন মুখের মানুষ দ্বারা সেবা পাবার আকাঙ্খা ছিল ওয়ার্ডবাসীর। জানিনা ওয়ার্ডবাসীর সে আশা পূরন হয়েছে কিনা ?
মাদকাসক্তদের দৌরাত্ব বেড়ে গেছে এ ওয়ার্ডে। সমাজের বিত্ত্ববান ও শিক্ষিত পরিবারের সন্তানরাও এসব মাদকাসক্তদের স্পর্শে ওই পথে ধাবিত হচ্ছে। সন্তানদের নিয়ে চিন্তিত এখন বাবা-মায়েরা। পাশাপাশি সমানতালে বেড়েছে ছিঁচকে চুরি। ওইসব মাদকাসক্তরা মাদকের জন্য টাকা যোগান দিতে এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। মাঝে-মধ্যে দু-একটা বড় ধরনের চুরি সংঘটিত হচ্ছে। ফলে চুরির আতঙ্কে রাত্রী যাপন করছে ওয়ার্ডবাসী। এ প্রসঙ্গে দুলু সিসি নিউজকে জানান, আগামীতে নির্বাচিত হলে ১৫নং ওয়ার্ডকে সর্বপ্রথম মাদকমুক্ত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।
এবারে দলগত নির্বাচনে দুলু এ ওয়ার্ডে আ’লীগের একক প্রার্থী। বিগত তিনটি নির্বাচন থেকে নেয়া শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি ওয়ার্ডে সর্বস্তরের মানুষের সাথে যোগাযোগ অব্যহত রেখেছেন। নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে দলমত নির্বিশেষে সকলের বিপদে-আপদে পাশে থাকার এমন অঙ্গিকার নিয়ে আবুল কাশেম সরকার দুলু বলেন, ওয়ার্ডকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসন করা, বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করাসহ ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ণে নিয়োজিত থাকবো।