সিসি নিউজ : মানুষের ভুল ভ্রান্তি হবে কারণ মানুষ ফেরেস্তা নয়- আর আমিও মানুষ, আমারও ভুল হবে। তবে রাগের বশবর্তি হয়ে কোন কাজ করি না। সৈয়দপুরের মানুষ রাজনীতি দিয়ে রাজনীতির প্রতিযোগিতায় সম্পৃক্ত থাকার প্রবণতা থাকুক আর নিরাপদে থাকুক আমার প্রাণপ্রিয় পৌরবাসী- মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে এ দোয়া করি। সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার সিসি নিউজকে দেয়া সাক্ষাতকারে এ কথাগুলো বলেন।
অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার ১৯৬৯ সালে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যোগদানের মধ্যদিয়ে রাজনীতির ময়দানে আসেন। এরপর জাতীয় ছাত্রদল, ছাত্রমৈত্রী, যুবমৈত্রী, ওয়াকার্সপার্টির বিভিন্ন পদের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা শাখায় সদস্য হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় নীলফামারী- ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দফায় দফায় রাজনৈতিক বিভিন্ন মামলায় ২০ মাস কারাগারে ছিলেন। অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার বর্তমানে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উন্নয়ণ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর পৌরসভার ৩ বারের নির্বাচিত মেয়র অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার নানাবিধ উন্নয়ণের ফিরিস্তি তুলে না ধরে সিসি নিউজকে বলেন, সৈয়দপুর পৌরসভাকে প্রথম শ্রেনীর পৌরসভায় উন্নীত করেছি। নির্মিত হচ্ছে পৌরভবন। নোংরা শহর থেকে শিক্ষার শহরে পরিচিতি লাভ আর পৌরবৃত্তির ব্যবস্থা করা। শিক্ষার নগরী গড়তে নির্মাণ করেছি সৈয়দপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ, গোলাহাট বালিকা বিদ্যালয়, মকবুল হোসেন বিএম কলেজ, সৈয়দপুর আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়া সৈয়দপুর মহিলা কলেজকে ডিগ্রী কলেজ এবং গোলাহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও সানফ্লাওয়ার স্কুলকে কলেজে উন্নীতকরণ।
আগামীতে এ শহরের উন্নয়ণ করার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ, বিনোদন পার্ক, কমিউনিটি সেন্টার, অত্যাধুনিক একটি স্কুল ও কলেজ, পৌরভবন নির্মাণ, আয় বাড়ানোর জন্য সাপ্তাহিক হাট, ডায়াবেটিক হাসপাতালের উন্নয়ণ, পৌরসভার নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্স, পৌরবাসীকে অনলাইনের আওতায় আনা, পৌর পরিষদের মাসিক সভা টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে জনগণকে অবহিত করা, জবাবদিহিতামূলক পৌরসভা গড়ে তোলা।
দলীয় প্রতিকে নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের প্রতি অনিহাকারীরাও এখন ছুটবে দলীয় অফিসে, ফলে ভরপুর থাকবে দলীয় কার্যালয়গুলো। অপরদিকে দলবাজির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ জনগণ। নতুন ভোটারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারা থাকুক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে-খেলার মাঠে-মাদকমুক্ত সমাজে। আর সমাজের ভালো কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বলিষ্ট প্রতিবাদী হিসেবে গড়ে উঠুক।