• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জাতীয় নির্বাচনে প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপাসহ অন্য দলগুলো

253189_1সিসি ডেস্ক: আওয়ামী লীগের পাশাপাশি এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সেটি আওয়ামী লীগের ২০ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানের জবাব হিসেবে নয়। রাজনৈতিক দল হিসেবেই তারা সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেবে কি নেবে না সেটা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন রাজনীতিকরা।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, আমরা সাংগঠনিকভাবেই আগামী নির্বাচনের জন্য আরও আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচন করা সব রাজনৈতিক দলেরই লক্ষ্য থাকে। তবে কোন দল কি বলছে তা আমাদের দেখার বিষয় নয়।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একটা সুষ্ঠু গ্রহনযোগ্য ও গণআস্থা সম্পন্ন ভোট অনুষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়নি। ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল হতাশা ব্যঞ্জক। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই ১৫৪ জন এমপি নির্বচিত হয়ে গিয়েছিলেন। ফলে এবার সম্মেলনের আয়োজন ছিলো জৌলশ ও ব্যাপক আড়ম্বরের। এরমাধ্যমে অতীত ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করেছে দলটি। অর্থাৎ কিছু মাত্রায় হলেও গণআস্থা অর্জন করে আগামী নির্বাচনে-নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। উন্নয়ন, সাফল্য সম্মেলনের চমক প্রধান বিরোধী শক্তিকে কোমর ভাঙ্গা করে রাখার সক্ষমতা অনেক দলকে ভেড়ানোর কৃতিত্ব আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথিদের মুখে প্রশংসারবানী, নেতৃত্বে রদবদল উত্যাদি মিলে তারা আগামীদিনের গ্রহনযোগ্যতা পেতে প্রত্যাশী। সে জন্যেই দলের প্রধান নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন খোলা মাঠে এখনই নেমে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের আভ্যন্তরীণ অন্তর্দ্বন্দ্ব, অন্ত:কলহ ও সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি কিভাবে অতিক্রম করবেন- সে বিষয়ে এমন দিক নির্দেশনা বা কর্মীদের উপলব্ধি কোনটার মধ্যেই তেমন পরিলক্ষিত হয়নি।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ বলেন, আমরা আন্দোলনে আছি, যদি নির্বাচন আসে তা হলে আবশ্যই নির্বাচনে যাব।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলে (জাসদ) একাংশের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া বলেন, আমরা এখন সরকারের চলমান উন্নয়নের ধারা মনোযোগ সহকারে পর্যবেক্ষণ করছি। কে নির্বাচনে যাবে কি আসবে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারন সম্পাদক সাইফুল হক বলেন- সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলো সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। সরকার যদি দেশে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও গ্রহনযোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক দলগুলোকে আস্থায় আনতে পারে তা হলে আমরাও নির্বাচনে আবশ্য অংশগ্রহণ করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ