• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে ১০ দিন আটকা ছিলো অপহৃতা মা ও শিশু

সিসি নিউজ: অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে এসেছে দেড় মাসের কন্যা শিশুকে নিয়ে মা আদুরী বেগম (২২)। অপহৃতা আদুরী সৈয়দপুর শহরের মিস্ত্রিপাড়া এলাকার একটি বাসায় দীর্ঘ ১০ দিন ধরে আটকা ছিলো।
সূত্র মতে, সৈয়দপুরের পাশ^বর্তী দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার সোনাপুকুর পশ্চিমপাড়ার আইয়ুব আলীর মেয়ে আদুরী খাতুন। গত ১৫ আগষ্ট রাতে পিত্রালয় থেকে দেড় মাস বয়সী শিশু কন্যা সহ অপহরণ হয়। পরদিন আদুরীর বড় ভাই হামিদুল ইসলাম এ ঘটনায় পার্বতীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।
আদুরী সংবাদকর্মীদের জানায়, তাদের গ্রামের মোতালেব হোসেন, নাজির হোসেন, একরামুল হোসেনসহ আরো কয়েকজন তাকে অপহরণ করে সৈয়দপুর শহরের মিস্ত্রিপাড়ায় অপহরণকারী আমিনুল হকের সহযোগিতায় তার বোনের বাসায় আটকে রাখে। এ সময় অপহরণকারীরা অনেকগুলো কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয়। স্বাক্ষর দিতে অস্বীকার করলে তারা আমার ওপর অমানবিক শারিরীক নির্যাতন চালায়। এক প্রশ্নের জবাবে আদুরী জানায়, আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপহরণকারী মোতালেব আমাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
আদুরীর বাবা আইয়ুব আলী জানান, অপহরণকারীদের সাথে আমার জমি সংক্রান্ত একটি দ্বন্দ্ব রয়েছে। তারা আমার মেয়েকে অপহরণ করে ঘটনাটি ভিন্নভাবে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। তিনি জানান, আমার মেয়ে জীবনবাজি রেখে অহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে এসেছে। আমরা বিষয়টি থানায় অবহিত করে গ্রামবাসীসহ আদুরীকে থানায় নিয়ে যাই। থানা কর্তৃপক্ষ অপহৃতার জবানবন্দি শুনে তাকে পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পরামর্শ দিলে অসুস্থ্য আদুরীকে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপারে পার্বতীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাক আহমেদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে সংযোগ না হওয়ায় কথা হয় ওই থানার সেকেন্ড অফিসার এম. আর সাঈদের সাথে। তিনি জানান, অপহরণের পর থেকে পুলিশ অপহৃতা মা ও শিশুকে উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে ছিলো। আদুরীর বক্তব্য নোট করা হয়েছে এবং চিকিŤসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করার কথা বলা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ অপহরণের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ