সিসি ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন ২০ তম জাতীয় কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে চমক আসতে পারে। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আবারও সাধারণ সম্পাদক হয়ে এই পদে হ্যাট্রিক পূরণ করতে যাচ্ছেন এমন জোর আলোচনা শোনা গেলেও তা হচ্ছে না এমন গুঞ্জণ উঠেছে।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক পদে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও শেখ হাসিনার আস্থাশীল বিষয়টি আওয়ামী লীগের অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা স্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে দূনীর্তি কিংবা ক্ষমতার প্রভাব খাটানোর কোন অভিযোগ নেই। দলীয় কর্মকান্ডে তিনি সময় দেন না এমন অভিযোগ আগে শোনা গেলেও এখন সে অভিযোগ তেমন শোনা যায় না। তবে আসন্ন জাতীয় কাউন্সিলে আশরাফের বাদ পড়ার বিষয়টি ইদানিং বেশ আলোচনায় এসেছে। কারণ হিসেবে আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন, দলের সাধারণ সম্পাদকের চেয়ে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ পদে হয়ত আশরাফকে দেখা যেতে পারে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সৈয়দ আশরাফের মত দূরদর্শী এবং আন্তর্জাতিক মহলে পরিচিত ব্যক্তিকে দলের সাধারণ সম্পাদকের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হতে পারে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যাকে করা হবে তাকে মন্ত্রিসভায় রাখা হবে না। নিরাপত্তার কারনে হয়ত তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হতে পারে।।
গত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দলের হাল ধরার বঙ্গবন্ধুর উদাহরণ উল্লেখ করেছেন। মন্ত্রণালয়ের কাছে সময় দিয়ে সাধারণ সম্পাদকের দলীয় কর্মকান্ডে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি স্বীকার করেছেন একাধিক নেতা।
সূত্র মতে কেবল সাধারণ সম্পাদকই নয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদেরও মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা হতে পারে। বর্তমানে তিনজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ছয়জন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদককে মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ আশরাফের পরিবর্তন আসছে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে দলটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ এই প্রতিবেদককে বলেন, সব কিছু নির্ভর করছে শেখ হাসিনার ওপর। কাউন্সিলে সারাদেশ থেকে আগত নেতাকর্মীরা সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের একক ক্ষমতা শেখ হাসিনার ওপর অর্পণ করেন। শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার ঠিকানা। তাই শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই নেতাকর্মীদের সিদ্ধান্ত।
সৈয়দ আশরাফকে সাধারণ সম্পাদক করা না হলে কে হতে পারেন দলটির পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক? এ প্রসঙ্গে কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনা যাকেই বানাবেন তাকেই সবাই স্বাগত জানাবে। হয়ত সভানেত্রী সাধারণ সম্পাদক পদে চমক দেখাতে পারেন।
আস