• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ফেসবুকে সরব জামায়াত

জামায়াতসিসি ডেস্ক: বিভিন্ন ইস্যুতে রাজপথে একসময় সরব থাকলেও সে জৌলুস হারিয়েছে জামায়াত। মানবতাবিরোধীদের দল হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পাওয়া দলটির নিবন্ধন বাতিলের পর থেকেই হোঁচট খেয়ে চলছে। অবস্থা এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে, দেখে মনে হচ্ছে এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে জামায়াত। দলের কার্যক্রম এখন ফেসবুক আর ওয়েবসাইটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
তবে অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রতিদিন ৫-৬টি পোস্ট দেয়া হলেও সাধারণ জনগণের সাড়া লক্ষ্য করা যায় না। বর্তমানে মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ডের বিরুদ্ধে অনলাইন প্রচারণা চালাচ্ছে দলটি।
২০১৩ সালে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের পরদিন ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে বড় ধরনের নাশকতা চালায় জামায়াত। সারাদেশে নিহত হয় সাতজন। রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়ালের পাশে ১৩টি গাড়িতে ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে তারা। এরপর থেকে জামায়াতের অস্তিত্ব শুধুই সাইবার জগতে। বর্তমানে জনগণ এমনকি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কাছ থেকেও বিচ্ছিন্ন দলটির নেতাকর্মীরা।
কাদের মোল্লার ফাঁসির পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে আরো তিন নেতার ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। রেওয়াজ অনুযায়ী, ফাঁসি কার্যকরের পরের কার্যদিবসে হরতাল ডাকলেও রাজপথে ছিল না জামায়াতের কোনো কর্মী।
জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। তবে এ প্রতিবাদ ছাপায়নি কোনো গণমাধ্যম।
এ বিষয়ে দলটির ওয়েবসাইটে দেয়া (৯৩৩১২৩) নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও কারো সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে বিটিসিএল সূত্রে জানা যায় নম্বরটি ভুল। এরপর জামায়াতের ফেসবুক পেজে ম্যাসেজ দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।
দলটির প্রথম শ্রেণির কোনো নেতাকে ফোন দিয়ে পাওয়া যায় না। নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা থাকায় কারাভোগের ভয়ে অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। ঘন ঘন মোবাইল নম্বর পরিবর্তনও করছেন অনেকে।
এর আগে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও এখনো শুনানি হয়নি। আপিলের রায় প্রকাশের অপেক্ষায়ই জামায়াত কোণঠাসা বলে ধারণা অনেকের।
এদিকে যুদ্ধাপরাধীদের কালিমা মুছতে তাদের সঙ্গ ছাড়ার গুজব রয়েছে বিএনপিতে। যদিও এ বিষয়ে বিএনপির কেউ সরাসরি মুখ খুলছেন না।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমদ আজম বলেন, বিএনপি জামায়াত ছাড়বে কিনা সেটা স্পষ্ট করার সময় এখনো হয়নি। এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ