সিসি ডেস্ক: এবার দল থেকে পদত্যাগ করলেন দলের জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাপা যুগ্ম সাংগঠনিকসম্পাদক আবু সৈয়দ । লিখিত পদত্যাগপত্র রোববার রাতে দলেরযুগ্ম দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের হাতে এসেছে। এদিকে সোমবার দুপুরে পদত্যাগ করেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাবেক সহ-সভাপতি এ টি এম মমতাজুল করিম। এর আগে ৭ অক্টোবর জাপা থেকে পদত্যাগ করনে দলের অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান এ টি এম গোলাম মাওলা চৌধুরী।
পার্টির চেয়ারম্যান বরাবর লেখা পদত্যাগপত্রে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ না করা হলেও, নিজ জেলা কক্সবাজারে জাপার সাংগঠনকি কর্মকাণ্ডে কেন্দ্রের অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, জেলা থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে অগণতান্ত্রিক আচরণের কারণে দল ও তিনি সামাজিক, পারবিারকি ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
শুধু তাই নয়,পদন্নোতিসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বার বার জৈষ্ঠ্যতা লঙ্ঘনের অভিযোগও করছেনে আবু সৈয়দ। এছাড়া জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময় সম্মেলনের প্রস্তুতিকালে অগণতান্ত্রিকভাবে কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে মমতাজুল করিম ২০০৫ সালে শেরে বাংলার কৃষক শ্রমিক পার্টি ছেড়ে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টিতে যোগ দেন। এই নেতার অভিযোগও প্রায় অভিন্ন। পদত্যাগপত্রে তিনি অভিযোগ করেন, বিগত ১১ বছরে কাউন্সলিরে মাধ্যমে মূল দলে অনেকের জায়গা হলেও, রাজনৈতিক যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বওে তাকে সুযোগ দেয়া হয়নি।
দলীয় একটি সূত্র থেকে জানা যায়, আবু সৈয়দের সাথে সদ্য পদত্যাগকারী গোলাম মাওলা চৌধুরীর সাথে বরাবরই একটি নিবিড় সম্পর্ক ছিলো। আবু সৈয়দ তারই ধারাবাহিকতায় ববি হাজ্জাজ ও মাওলা চৌধুরীর নেতৃত্বে নতুন দলে নিজের নাম লিখাবেন বলে সূত্রটি বিবার্তাকে নিশ্চিত করেছে।
পদত্যাগের বিষয়ে আবু সৈয়দ বিবার্তাকে বলেন, জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় এখানে দিয়েছি। কিন্তু সম্মান বা প্রাপ্তি ছিলো না বিধায় এদল ত্যাগ করছি। ববির নেতৃত্বে নতুন দলে যাচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি হেসে বলেন, দেখা যাক, সময়ই এর উত্তর দিবে।