কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গতকাল বিকেল ৩টা থেকে সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এমপি শামীম ওসমানসহ নারায়ণগঞ্জের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিকাল ৫টায় সভা শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট খোকন সাহা জানান, মঙ্গলবারের সভায় আনোয়ার হোসেন সভাপতিত্ব করলেও এখন তিনি নির্বাচনি কাজে থাকায় সহ-সভাপতি চন্দন শীলকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগামী ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন তফসিল দেয়।
মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চন্দন শীল জানান, সভায় সবার সম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মহানগর সভাপতি আনোয়ার হোসেনের নাম আসে। যেহেতু কেন্দ্র থেকে তিনজনের নাম চাওয়া হয়েছে সেহেতু আনোয়ার হোসেনের পাশাপামি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান ও বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদের নামও প্রস্তাব করা হয়েছে।
সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম না থাকা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চন্দন শীল বলেন, সভায় উপস্থিত কোনো নেতাই আইভীর নাম প্রস্তাব করেনি। তাই তার নাম দেয়ার সুযোগ নেই।
এর আগে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অন্তত তিন সদস্যের প্যানেল তৈরি করে আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয় কেন্দ্র থেকে। ওই নির্দেশনায় বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে যৌথ স্বাক্ষরে প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের যোগ্যতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও জনপ্রিয়তার বিষয় উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে পাঠাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্যানেল হাতে পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড একজনকে নারায়গঞ্জ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সোমবার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।