ফরিদপুর: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বলেছেন, খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূস মিলে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের জন্য ষড়যন্ত্র করেছিল। আজ প্রমাণিত হয়েছে যে, পদ্মা সেতু নিয়ে কোনো দুর্নীতি হয়নি। বিশ্বব্যাংক আজ ক্ষমা চাচ্ছে, তারা দ্বিতীয় পদ্মা সেতুতে আবার অর্থায়ন করতে চাচ্ছে।
শনিবার বিকেলে ফরিদপুর বোয়ালমারী পৌর স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানের সংববর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী জাফরউল্যাহ এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। বিশ্ববাসী বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিস্মিত। তাদের একটাই প্রশ্ন, এত জনসংখ্যা নিয়েও বাংলাদেশ কীভাবে এত উন্নত হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনে সবাই অংশগ্রহণ করবে। বিএনপি-জামায়াত জোট অবশ্যই এ নির্বাচনে অংশ নেবে। তাদের নিজেদের স্বার্থেই তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। কেননা, তা না করলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, আগামীতে শতভাগ নিরপেক্ষ, অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা জাতিকে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেব।
নবগঠিত নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে কাজী জাফরউল্যাহ বলেন, রাষ্ট্রপতি তার অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতা দিয়ে যুগপযোগী নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। কিন্তু তা নিয়ে বিএনপির নেত্রী নানা ধরনের কথা বলছেন। আসলে সব ভুয়া। দেশের মানুষ তার সঙ্গে নেই। দেশের মানুষ আজ উন্নয়নের সঙ্গে, শেখ হাসিনার সঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মহলের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পদ্মা সেতুর কাজ চলছে। ২০১৯ সালের মধ্যে এ সেতুর কাজ শেষ হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।