বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ‘করোনা ও ডেঙ্গু হেল্প সেল’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘কথা একটাই। এখন সময় এসেছে উঠে দাঁড়াবার। সময় এসেছে, এই সরকারকে পরিষ্কার করে বলে দেওয়া যে, তোমাদের (সরকার) আমরা আর চাই না। এখন বিদায় নিতে হবে এবং নির্বাচন দিয়ে দিতে হবে। জনগণের নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় জনগণই তোমাদের সরাতে বাধ্য করবে।’ আরও বলেন, ‘এখনো সময় আছে, দেয়ালের লেখাগুলো পড়ুন, মানুষের চোখের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন, মনের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন। ব্যর্থতার জন্য পদত্যাগ করুন। অন্যথায় পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না। স্পষ্টভাবে বলতে চাই, পৃথিবীতে কোনো স্বৈরশাসক, এক নায়ক, ফ্যাসিস্ট শাসক টিকে থাকতে পারেনি। জনতার উত্তাল রোষের মধ্যে দিয়ে তাদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। তখন আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।’
দেশে এক ব্যক্তির পূজা চলছে-এমন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বাকশাল গঠনের সময় যেভাবে এক ব্যক্তির পূজা করা হয়েছে, আজকে আবারও একইভাবে এক ব্যক্তির পূজা করা হচ্ছে। গতকালের (মঙ্গলবার) পত্র-পত্রিকাগুলো দেখলেই এটা বোঝা যায় যে, কীভাবে তারা (সরকার) গণমাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। আবার তারা পুরোনো স্লোগান নিয়ে এসেছে, ‘এক নেতা এক দেশ, হাসিনার বাংলাদেশ’।
বিএনপির নেতা নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নেতার কথা বলেন ওবায়দুল কাদের সাহেব। নেতা তো একজন আমাদের, বাংলাদেশের, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। এখনো গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি গৃহে অন্তরীণ হয়ে আছেন। মিথ্যা মামলা দিয়ে বেআইনিভাবে তাঁকে সাজা দেওয়া হয়েছে।



সিসি নিউজ ডেস্ক ।। বিএনপি নতুনভাবে জেগে উঠেছে দাবি করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের (তারেক রহমান) তত্ত্বাবধানে বিএনপিকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে, কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এতে করে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে। সে জন্যেই তাদের (সরকার) হৃৎকম্প সৃষ্টি হয়েছে, তাঁরা ভয়ে কাঁপছে। যে কারণে তাঁরা বিএনপির ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করছে।’
