চট্টগ্রাম: চীন থেকে কেনা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘আলী হায়দার’ ও ‘আবু বকর’ সোমবার চট্টগ্রাম নেভাল জেটিতে এসে পৌঁছেছে।
সোমবার জেটিতে এসে পৌঁছালে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল এ এম এম এম আওরঙ্গজেব চৌধুরী জাহাজ দুটিকে স্বাগত জানান। এ সময় নৌবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক নাবিক উপস্থিত ছিলেন।
গত ৯ জানুয়ারি জাহাজ দুটিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে চীন।
সোমবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬ নটিক্যাল মাইল বেগ ক্ষমতা সম্পন্ন ‘জিয়াংহু-৩’ শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ দুটি দৈর্ঘ্যে ১০৩ দশমিক ২২ মিটার এবং প্রস্থে ১০ দশমিক ৮৩ মিটার।
আধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ দুটি বিমান বিধ্বংসী কামান, জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল এবং সমুদ্র তলদেশে সাবমেরিনের অবস্থান সনাক্তকরণসহ সুনির্দিষ্ট টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম।
‘জিয়াংহু-৩’ ক্লাসের মিসাইল ফ্রিগেট দুটি দৈর্ঘ্যে ১০৩ দশমিক ২২ মিটার এবং প্রস্থে ১০ দশমিক ৮৩ মিটার। জাহাজ দুটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম।
জাহাজ দুটি অন্তর্ভুক্তির ফলে নৌবাহিনীর সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। যার মাধ্যমে বিশাল সমুদ্র এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান রোধ, গভীর সমুদ্রে উদ্ধার তত্পরতা, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি তেল, গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বরাদ্দ করা ব্লকগুলোকে অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এর আগে ৯ জানুয়ারি চীনে জাহাজ দুটিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। একই দিনে জাহাজ দুটি মোট ২৯ জন অফিসার এবং ২৩১ জন নাবিক নিয়ে গণচীনের কিংদাউ বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
একই নামের যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনী থেকে সংগৃহীত দুটি জাহাজ ‘আলী হায়দার’ ও ‘আবু বকর’ ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ডি-কমিশনিং করা হয়। সদ্য আগত জাহাজ দুটি পূর্বের বানৌজা ‘আলী হায়দার’ ও ‘আবু বকর’ নামে প্রতিস্থাপন করা হবে।