
দিনাজপুর প্রতিনিধি: আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদী ও তার পরিবারের লোকদেরকে প্রাণনাশসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদর্শন করে আসছে আসামীরা। ফলে মামলার বাদী কিশোরী মিনু রানী শীল ও তার পরিবার চরম আতঙ্কে ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
বুধবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার চোপড়া গ্রামের মহেশ চন্দ্র শীলের কিশোরী কন্যা মিন রানী শীল (১৩)। সংবাদ সম্মেলনে মিনু রানী শীল বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার চোপড়া গ্রামের সহিদুল ইসলাম (ডোডা), প্রদীপ চন্দ্র শীল, ভারতী রানী শীলসহ অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জনকে আসামী করে গত ২০১৩ সালের জুন মাসে ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে একটি মমলা দায়ের করেন। যার নম্বর-৪২১/১৩। মামলার পর ওই আসামীরা বেশ কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে উক্ত সহিদুল ইসলাম (ডোডা), প্রদীপ চন্দ্র শীল, ভারতী রানী শীলসহ অন্যান্য আসামীরা মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে আমার বাড়ীতে এসে দরজায় ধাক্কা-ধাক্কি, গালাগাল ও মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেয়। অন্যথায় প্রাণে মেরে ফেলে লাশ গুম করে দিবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। যার প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী হলেন একই এলাকার মহেন্দ্র, টংকনাথ শীল ও তার স্ত্রী মায়া রানী, মোঃ বুলবুল, গীতা রানী শীলসহ অন্যান্যরা। এই ঘটনার পর থেকে প্রাণ ভয়ে আমার বাবা-মাসহ আমার পরিবারের লোকজন ঘর থেকে ভয়ে বের হতে পারছেন না ও হাটে-বাজারে যেতে পারছেন না। যে কোন সময় তারা যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে। বর্তমানে আমার পরিবারের লোকজন চরম আতঙ্কে ও নিরাপত্তাহীতায় রয়েছে।
এ ব্যাপারে আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নিয়ে তার পরিবারের লোকদের দুর্বৃত্তদের হাত থেকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মিনু রানী শীল।