খেলাধুলা ডেস্ক: ১১তম যুব বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শনিবার সকাল ৯টায় শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে এবং শ্রীলঙ্কা ভারতের কাছে হেরে ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়।
দুই দলের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি আলাদা রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছে। বাংলাদেশ এর আগে একবারও সেমিফাইনাল খেলতে পারেনি। প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠার সুযোগটি হারিয়ে ষোলকোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ মেহেদী হাসান মিরাজরা।
শীর্ষ দুইয়ে থাকার সুযোগ হারিয়ে বাংলাদেশের টার্গেট এখন তিন নম্বর পজিশনে থাকা। তৃতীয় হওয়াটাও বড় অর্জন হবে বাংলাদেশের। এমনটাই মনে করছেন মিরাজ।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি নিয়ে যুব দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন,‘আমরা যেখানে এখন আছি সেটাই শেষ না। আরো সামনে যেতে হবে। সামনে আমাদের আরেকটা ম্যাচ আছে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী। ওটাও আমাদের জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওটা জিততে পারলে আমার কাছে মনে হয় অনেক বড় একটা প্রাপ্তি হবে।’
মিরাজ আরো বলেন,‘মুশফিক ভাইয়েরা আমাদের আগে যুব বিশ্বকাপে পঞ্চম হয়েছিল। আমরা যদি তিন-চার নম্বর হই, পরের প্রজন্ম চিন্তা করবে তাদেরকে চ্যাম্পিয়ন অথবা রানারআপ হতে হবে। আস্তে আস্তে এ চিন্তা গুলো বাংলাদেশ ক্রিকেটে আসবে এবং ভবিষ্যতে আরো ফল আসবে।’
টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে শীর্ষ থাকাটা মিরাজের কাছে বড় অর্জন। বাংলাদেশের যুবারা গত দেড় বছর কঠোর পরিশ্রম করেছেন যুব বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে। স্বপ্ন পূরণের শেষ ভাগে হেরে না বসলে হয়ত শিরোপার স্বাদ পেত বাংলাদেশ। তবুও পূর্বের অর্জন ছাপিয়ে নতুন দিগন্তের সূচনাও অনেক বড় কিছু।
‘তৃতীয় ম্যাচটি জিতে প্রায় দশটি টেস্ট দলের থেকে যদি আমরা তিনে থাকতে পারি তাহলে আমাদেরকে শীর্ষ পাঁচ দলের একটি বিবেচনা করা হবে। আমার কাছে মনে হয় চ্যাম্পিয়ন অথবা রানারআপ হওয়াটা বড় বিষয় না। আমরা যে টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে টপ তিন কিংবা পাঁচে আছি এটা অনেক বড় বিষয়। আাস্তে আস্তে আমরা অনেক উন্নতি করছি। আমরা যা করতে পারিনি আশা করছি সামনের প্রজন্মের ক্রিকেটাররা তা করতে পারবে।’- যোগ করেন যুব অলরাউন্ডার মিরাজ।
অন্যদিকে ২০০০ সালে শ্রীলঙ্কা নিজেদের মাঠে অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপে রানারআপ হয়েছিল। এরপর ৭টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও শিরোপার কাছাকাছি যেতে পারেনি লঙ্কানরা। এবারও সিংহের দলটি ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশ হারিয়ে নিজেদেরকে আরেকটু উপরে নিয়ে যেতে চাইবে ম্যাথুউস-পারেরাদের পরবর্তী প্রজন্মরা।