সিসি নিউজ: বাংলা নববর্ষে আমাদের দেশের ব্যবসায়ীগণ হালখাতা অনুষ্ঠান করেন। মোঘল সম্রাট আকবরের আমল থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ হিসেবে চালু করা হয়।’
মকবুল আহমাদ বলেন, ‘যে সালটি আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে তা জাতির জন্য সুখকর ছিল না। অনেক দেশপ্রেমিক, প্রতিশ্রুতিশীল, সৎ, বিচক্ষণ, জাতীয় নেতৃত্বকে জাতি এ সময়ে হারিয়েছে। গণতন্ত্রের চাদর গায়ে পড়ে জনগণের ওপর চলছে জুলুম-নির্যাতন। লুট হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ, ধর্ষিতা হয়েছে অনেক মা-বোন, জীবন কেঁড়ে নেয়া হয়েছে অসংখ্য মানুষের। সব দিকে চলছে লুটপাটের মহড়া। গণতন্ত্রকে করা হয়েছে মৃতপ্রায়। মিডিয়ার কণ্ঠ আজ রুদ্ধ। মানুষের সকল মৌলিক অধিকার পদদলিত। এ অবস্থা থেকে জাতি মুক্তি চায়। তাই বাংলা নববর্ষ মুক্তির সেই আহ্বান নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হয়েছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আসুন জাতি হিসেবে আরেকবার ঘুরে দাঁড়াবার শপথ নিই, যাতে বাংলাদেশের জনগণ শান্তি ও স্বস্তির সাথে বাঁচার জন্য নিজেদের মত করে বাংলাদেশটাকে গড়ে তুলতে পারে।’
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির, ‘আমি দেশবাসী সকলের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনার পাশাপাশি জুলুমমুক্ত বাংলাদেশ কামনা করছি এবং আমার দলের পক্ষ থেকে প্রিয় দেশবাসীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি। দেশবাসীকে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি জুলুমমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।’