• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মজুরী বৈষ্যমের শিকার ফুলবাড়ীর নারী শ্রমিকেরা

news_pic2_phulbari_dinajpur 30.04.2016ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: মজুরী বৈষ্যমের শিকার দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার নারী শ্রমিকেরা। একই কাজ একই সাথে নারী পুরুষ উভয়ে করলেও মজুরীর বেলায় নারী শ্রমিকদের বেতন পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় অনেক কম। নারী শ্রমিকেরা বেতন বৈষ্যমের শিকার হয়েও চাকরী হারার ভয়ে কোন প্রতিবাদ না করে দিয়ে যাচ্ছে তাদের শ্রম।
গতকাল শনিবার ফুলবাড়ী উপজেলার সর্ববৃহৎ মির্জা গ্রুপ অফ কোম্পানীর জুট মিলে গিয়ে দেখা যায়, মির্জা ওভেন ব্যাগ, মির্জা জুটমিল, মির্জা অটো রাইস মিল ও ফুলবাড়ী ফ্লাওয়ার মিলে ২হাজার ১শ শ্রমিক কাজ করে। তার মধ্যে অধিকাংশ শ্রমিক নারী। মির্জা জুটমিলের উৎপাদন ব্যবস্থাপক (পিএম) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এখানে কর্মরত পুরুষ শ্রমিকেরা প্রতিদিনই ১২৫ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত হাজিরা পায়। আর নারী শ্রমিকেরা পায় ৯০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। পুরুষ শ্রমিক তুলনায় নারী শ্রমিকদের বেতন কম কেন জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন তাদের সঙ্গে এই চুক্তি করেই কাজ দেয়া হয়েছে। একই অবস্থা মির্জা অটো রাইস মিল, ফুলবাড়ী ফ্লাওয়ার’স মিল এবং ফুলবাড়ীর সুজাপুরে পিডিকন প্লাাস্টিক  অপর একটি  কারখানায়। এই কারখানায় গিয়ে দেখা যায় সেখানে প্রায়৩শ শ্রমিক কাজ করে। তার মধ্যে অধিকাংশ নারী। এখানে পুরুষ শ্রমিকেরা প্রতিদিনই ২শ টাকা হাজিরা পেলেও নারী শ্রমিকেরা মাত্র ৬০ টাকা  এবং কাজ করতে গিয়ে কোন প্রকার দূর্ঘটনার শিকার হলেও কর্তৃপক্ষ তার কোন দায় নেয় না। এভাবে দিনের পর দিন মজুরী বৈষ্যমের শিকার হলেও তারা প্রতিবাদ করতে পারছেনা । এই কোম্পানীগুলোতে কর্মরত নারী শ্রমিকেরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যখন সরকারি কোন প্রতিনিধি কিংবা সাংবাদিক আসে তার আগেই তাদেরকে সতর্ক করা হয়। কোন প্রকার তথ্য দিলে তাদের চাকুরী চলে যায়। এজন্য তারা দিনের পর দিন বেতন বৈষ্যমের শিকার হয়েও প্রতিবাদ না করে জীবিকার দায়ে স্বল্প বেতনেই কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় এইসব শিল্পকারখানার মালিক শ্রমিকদেরকে স্বল্প বেতন দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছে। দূর্ঘটনা ঘটলে তাদের যত সামান্য চিকিৎসা হলেও অনেকে অঙ্গহানি হয়ে বেকারত্ব জীবন যাপন করছে। শিল্প মালিকদের তাদের প্রতি কোন গুরুত্ব নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ