কনডম দরকার তার। কিন্তু অলিম্পিক ভিলেজে কেউ তো দিয়ে যাচ্ছে না! বাকিটা শুনুন তার কণ্ঠে, সবাই বলছে, অনেক কনডম প্রত্যেক অ্যাথলেটের জন্য। ওরা তো তা পৌঁছে দিল না। নিজে গিয়ে নিয়ে আনতে হচ্ছে। যতো খুশি নিতে পারেন আপনি। তার মানে বরাদ্দের বেশি নিতে পারবেন যে কোনো অ্যাথলেট। বিশাল ভিলেজের ডাইনিং হল, বড় বড় লাউঞ্জে রাখা আছে কনডম। সেখান থেকেই সংগ্রহ করতে হচ্ছে সবাইকে। রিওর করডম কাহিনী ভেঙেছে ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকের রেকর্ড। সেবার অ্যাথলেটদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৫০,০০০ কনডম।
ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক অলিম্পিকগুলোতে বারবার রেকর্ড গড়ছে কনডম। ১৯৮৮ সালে সিওল অলিম্পিকে খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়েছিল ৮,৫০০ কনডম। আউটডোর সেক্স নিষিদ্ধ ছিল। অলিম্পিক ভিলেজের ছাদে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে অনেককে। প্রতি গেমসের পর অ্যাথলিটদের নানা যৌনতার গল্প আসে বাজারে।
একবার একজন অ্যাথলেট বলেছিলেন, প্রতিদিন ভিলেজে তিনজন নারীর সঙ্গে সময় কাটাতেন। ১৯৯২ অলিম্পিকে আগের আসরের ১০ গুন বেশি কনডমের ব্যবস্থা হলো। ৯০,০০০। যদিও পরেরবার যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় সংখ্যাটা কমে ১৫,০০০ এ নেমেছিল। কিন্তু তার পর থেকে হু হু করে প্রতি আসরে উপরের দিকেই ছুটছে কনডম কাহিনী। ২০০০ সিডনি অলিম্পিকে ব্যবস্থা ছিল ৭০,০০০ কনডমের। কিন্তু পরে আয়োজকদের মাথায় হাত। ইসর চলাকালেই নতুন করে কিনতে হয়েছিল আরো। ২০০৪ এথেন্সে আয়োজকরা ঝুঁকি নেননি। ১৩০,০০০ কনডম রেখেছিল। চার বছর আগে সংখ্যাটা ২০ হাজার বেড়েছিল। আর এবার এক লাফে তা তিন লাখ বেড়ে গেছে! হুমম, ৪৫০,০০০? কিন্তু তাতেও হবে তো? আশা করি যথেষ্ট হবে বলে উত্তরে জানালেন মার্কিন জিমন্যাস্ট ড্যানেল লিভা।