• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

চেয়ারম্যান ও মেম্বার কর্তৃক নারী ইউপি সদস্যকে ধর্ষণ

রাজশাহী : রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের সহায়তায় এক সদস্য ওই ইউনিয়নেরই একজন নারী ইউপি সদস্যকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বাজুবাঘা ইউপি কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর এলাকাবাসী বাজুবাঘা ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জান্নাত আলী (৫০) ও ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিনকে (৪৫) আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। পরে বিকেলে নির্যাতিত ওই নারী সদস্য তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, নির্যাতিত নারী (৩০) ওই ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। আর সদস্য আলাল উদ্দিন ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের ধরে পুলিশে খবর দেন। এরপর তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ওই নারী ধর্ষণের মামলা করেন।

ওসি জানান, ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই নারী ইউপি সদস্যকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার চেয়ারম্যান ও সদস্যকে শুক্রবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

মামলার এজাহারে ওই নারী সদস্য বলেছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিষদ থেকে সব সদস্য বাড়ি চলে যান। তিনিও তখন বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় সদস্য আলাল উদ্দিন তাকে জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে জরুরি কথা আছে। এরপর তাকে পরিষদের গ্রন্থাগারে নিয়ে যান। এ সময় চেয়ারম্যান গ্রন্থাগারের দরজায় বাইরে থেকে তালা দিয়ে দেন। এরপর ভেতরে ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিন তাকে ধর্ষণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই নারী ইউপি সদস্যর চিৎকার শুনে তারা পরিষদে ছুটে যান। এরপর চেয়ারম্যানের কাছ থেকে গ্রন্থাগারের চাবি উদ্ধার করে ওই নারীকে সেখান থেকে বের করা হয়। পরে পুলিশে খবর দিলে চেয়ারম্যান ও সদস্যকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ