• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চাঁদপুরে রেললাইনের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে তেলের ভাউচার

শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর:  অয়েল কোম্পানী চাঁদপুর ডিপোর তেলের ভাউচারগুলো রেললাইনের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। শহরের বড়স্টেশন রোডের আক্কাস আলী স্কুলের পূর্বপাশে অবস্থিত পদ্মা অয়েল কোম্পানী চাঁদপুর ডিপো। সেখান থেকে প্রতিদিন তেলের ভাউচারগুলো ছেড়ে গিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে তেল পৌঁছে দিয়ে থাকে। এদিকে প্রতিদিন রেললাইনে উপর দিয়ে তেল ভর্তি গাড়িগুলো অনায়াশে চলে যাচ্ছে। এতে করে ট্রেন এবং তেলের ভাউচারের মধ্যে যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ হতে পারে বলে আশংঙ্খা করছেন এলাকাবাসী। কারন রেললাইনের দু’পাশে কোন রেল গেইট ব্যবহার না করার কারনে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে মেঘনা, সাগরিকা ও ড্রেমো ট্রেনের নির্ধারিত যাওয়া-আসার সময় ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে মালবাহী ট্রেন ছেড়ে আসে। বলা চলে, এসব মালবাহী ট্রেন যখন আসে তার কোন নির্ধারিত সময় তাকে না। অপরদিকে এসব মালবাহী ট্রেন চলাচল করলে যাত্রীবাহী ট্রেনের হুইসাল বাজিয়ে আসে না।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা অয়েল কোম্পানী চাঁদপুর ডিপোর তেলের তেলের ভাউচারগুলো প্রতিদিন এভাবেই চলাচল করে। রেলওয়ে থেকে এখানে লাইনম্যান দেওয়া হলেও তার দেখা পাওয়া যায় না। এছাড়া দু’পাশের রেলগেইট অকেজো হয়ে পড়েছে। আমাদের চোখে বহুবার ধরা পড়েছে রেললাইনের পাশে তেলের গাড়ি আর অন্যপাশ দিয়ে মালবাহী ট্রেন যাচ্ছে। কোন দিন যদি ড্রাইবার একটু অসচেতন হয় তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এখানে সব সময় একজন লাইনম্যান দাড়ানো আবশ্যক এবং রেললাইনের দু’পাশের রেলগেইট দ্রুত ঠিক করে তা ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা মুক্ত হবে এই রেলপথ।
পদ্মা অয়েল কোম্পানী চাঁদপুর ডিপোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ মালেক জানান, আমি এই প্রতিষ্ঠানে আড়াই বছর ধরে রয়েছি। আমার চোখে এ পর্যন্ত কোন ঝুঁকি চোখে পড়েনি। এখানে রেলওয়ে থেকে নির্ধারিত লাইনম্যান রাখা হয়েছে। সে প্রতিদিন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে। প্রতিটি গাড়িতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার তেল সরবরাহ করা হয়। আর তা সংরক্ষন করা আমাদেরই দায়িত্ব। আমাদের এ বিষয়ে নজর রয়েছে। মেঘনা, সাগরিকা ও ড্রেমো ট্রেন ছাড়া অন্য কোন মালবাহী ট্রেন যায় কিনা তা আমার জানা নেই। তবে আমাদের তরপ থেকে চালকরা এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে আমরা সব সময় স্বজাগ রয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ