• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তিনশো আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি এরশাদের

সিসি ডেস্ক, ১৫ ফেব্রুয়ারী: ভোটের মাঠে বড় সমর্থন না থাকলেও ক্ষমতার রাজনীতিতে এখনো ফ্যাক্টর সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও তার দল জাতীয় পার্টি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে আবারও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরীক হয়ে লড়বে দলটি।
আর তা না হলে এককভাবে নির্বাচনে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে জাতীয় পার্টি। দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ জানান তিন’শ আসনে লড়াই করার মতো প্রার্থী বাছাই কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে।
ক্ষমতার ভারসাম্য রাজনীতিতে জোটভূক্ত লড়াই এখন জনপ্রিয়। আর এ আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে বরাবরই থাকে এরশাদের জাতীয় পার্টি। ১৯৯৬ সালে চার দলীয় জোটের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও, ২০০৬ সালে এসে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট হয়ে ভোটের মাঠে নামে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৯টি আসনে লড়াই করে দলটি।
এরপর ২০১৪ সালে ৪০টি আসনে জয়ী হয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলের পরিচয় পায় জাতীয় পার্টি। বিশ্লেষকদের মতে সরকারের মন্ত্রিপরিষদে থেকে বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ দলটি। তবে এমন সব সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে আবারও আগামী নির্বাচনে এককভাবে ৩০০ আসনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় পার্টি।
সম-সাময়িক রাজনীতি প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি জানান, দেশ এখন কঠিন সময় পার করছে। খালেদা জিয়ার কারাবাস নিয়েও কথা বলেন এরশাদ।
রাজনীতির হিসেব নিকেশে আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অবস্থান অনেক ভাল হবে- বলছিলেন দলটির কর্ণধার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৯১ সালে জেলে থেকে নির্বাচন করেছিলেন। সেইবার তার দল পেয়েছিল ৫০টি আসন। নিম্ন আদালতে দন্ডিত বিএনপির চেয়ারপার্সন আগামীর নির্বাচনে লড়তে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে
তবে যাই হোক একাদশ নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়া উচিত বলেও মনে করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। বলেন গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যহত রাখতে চাইলে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ