• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিনে খালেদা জিয়া

ঢাকা, ১ এপ্রিল।। অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অবশেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ৬২১ নম্বর কেবিনে ভর্তি হয়েছেন।

খালেদার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান হিসেবে রয়েছেন বিএসএমএমইউ’র মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. জিলন মিয়া।

এই মেডিকেল বোর্ডে আরো রয়েছেন রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একে মাহবুবুল হক।

সোমবার দুপুরে বিএসএমএমইউ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এর আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে খালেদাকে বহনকারী গাড়ি বহর পুরান ঢাকার পুরনো কারাগার থেকে বের হয়ে ১২টা ৩৬ মিনিটে বিএসএমএমইউতে পৌঁছায়।

সকালেই খালেদা জিয়ার ব্যবহার্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

পৌঁছানোর পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল হুইলচেয়ারে করে বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালের ভেতরে নেন।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে কেবিনে নেয়া হয়েছে। উনি বলেছেন এখন রেস্ট নেবেন। ওনার রেস্ট শেষ হলে চিকিৎসা শুরু হবে।

হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, খালেদার জন্য ৬২১-৬২২ নম্বর কেবিন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে ঠিক কোন কেবিনে নেয়া হয়েছে সেটা জানা যায়নি।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে দুর্নীতি মামলায় পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশেষ সেলে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। এর আগেও তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে গত কয়েকদিন ধরে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকলেও ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে রাজি হচ্ছিলেন না। তিনি ও তার দলের দাবি ছিল বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার। কিন্তু সরকার রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্ত খালেদা সেই বিএসএমএমইউতেই চিকিৎসা নিতে ভর্তি হলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ