• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি আসছে

বিএনপিঢাকা : নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ঘোষিত ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ সমাবেশের মতো প্রতিবাদ কর্মসূচি দিতে যাচ্ছে বিএনপি। শনিবার অথবা রোববার এই কর্মসূচির পালন করতে পারে দলটি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের পদত্যাগ দাবি করতে পারে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচির এই ঘোষনা দেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার পৌর নির্বাচনের পরিস্থিতি বিশ্লেষন, পর্যবেক্ষন এবং নির্বাচন পরবর্তী দলের অবস্থান স্থির করতে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি নেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি নেত্রী।

বৈঠক সূত্র জানায়,  পৌর নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের ‘সহিংসতা, হামলা, ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল’ এইসব বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনকে অবহিত করেন দল ও জোটের নেতারা। বিএনপি নেত্রী তাদের কথা শোনেন। এর বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও নির্বাচন কমিশনের ভুমিকারও সমালোচনা করা হয়। বৈঠকে নেতারা ইসির পদত্যাগ দাবির ইস্যুও তোলেন বলে জানা গেছে। বর্তমান সরকারের আমলে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়, সেই বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

বিএনপি ও জোটের দু’জন নেতা জানান, এই মুহূর্তে কঠিন কোনো কর্মসূচি দেবে না বিএনপি। তবে ‘কারচুপি’র নির্বাচনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের মতো কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।

পৃথক দুটি বৈঠকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার,  মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান,  আ স ম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, কামাল ইবনে ইউসুফ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল হালিম, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জয়নাল আবেদীন, আবদুল কাইয়ুম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দলের যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান, আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পৃথম বৈঠকে জোটের শরিকদের মধ্যে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান শফিউল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুতফর রহমান, এনপিপি চেয়ারম্যান ফুরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া,  কল্যান পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মুর্ত্তজা, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফিজুর রহমান ইরান, মহাসচিব হামদুল্লা আল মেহেদী, ইসলামিক পার্টি অতিরিক্ত মহাসচিবআবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ