• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রেজাউল হত্যাকান্ডে ৪ জেএমবি সদস্য জড়িত

রাবিরাজশাহী: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির চার সদস্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যায় অংশ নেয়  বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান রাজশাহীর পুলিশ কমিশনার মো. শামসুদ্দিন

মঙ্গলবার নিজের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘চারজনের মধ্যে তিনজন ওই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয়। আরেকজন মোটর সাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিল।’ এদের মধ্যে মাসকাওয়াত হাসান সাকিব ওরফে আবদুল্লাহকে রবিবার রাতে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বাকি তিনজনকে সোমবার রাতে রাজশাহী নগরীর খরখরি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তারের কথা জানালেও ‘তদন্তের স্বার্থে’ তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ নিজে হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন। গ্রেপ্তার বাকিরাও জেএমবি সদস্য। তারা হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন।’ গত ২৩ এপ্রিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিমকে নগরীর শালবাগান এলাকায় তার বাসা থেকে ৫০ গজ দূরে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর এক শিবির নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করার কথা এর আগে জানিয়েছিল পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তার জেএমবি সদস্য আবদুল্লাহ সোমবার বিকালে রাজশাহীর আদালতে ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ দেন।

‘আবদুল্লাহর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া পাওয়া গেছে একটি চাপাতি ও একটি ছোরা।’

তবে উদ্ধার হওয়া ওই চাপাতি ও ছোরা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়নি বলে আব্দুল্লাহ পুলিশের কাছে দাবি করেছেন বলে পুলিশ কমিশনার জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা মূল জায়গায় হাত দিয়েছি। গ্রেপ্তার বাকি তিনজনকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে (রিমান্ড) নেয়ার আবেদন করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ