বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয়করণের নামে সৈয়দপুরে বিভিন্ন কলেজ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর-৪ আসনের (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) এমপি ও বিরোধী দলীয় হুইপ আলহাজ্ব শওকত চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সৈয়দপুরের তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় কোটি টাকা নেয়ার এমন কথা বলেছেন সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক।
সৈয়দপুর কলেজকে জাতীয়করণের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করায় বৃহস্পতিবার ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আনন্দ র্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় আ’লীগ নেতা মোজাম্মেল হক এ কথা বলেন। শহরের তিন মাথা মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান হাফিজের সভাপতিত্ত্বে বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র আখতার হোসেন বাদল।
সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক পথসভায় বলেন, সৈয়দপুর কলেজকে জাতীয়করণের জন্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন, পাশাপাশি তিনি সৈয়দপুর মহিলা কলেজ, কামারপুকুর কলেজকে জাতীয়করণের জন্য প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন। সৈয়দপুর কলেজ জাতীয় করণের জন্য বর্তমান এমপির কোন অবদান নেই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং সৈয়দপুরের ১টি কলেজ ও ১টি স্কুলকে জাতীয়করণ করেছেন।
এ বিষয়ে বর্তমান এমপি শওকত চৌধুরীর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদকর্মীদের জানায়, আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা সৈয়দপুর কলেজ ও তুলশিরাম বালিকা বিদ্যালয়কে জাতীয় করনে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রিকে আন্তরিক অভিনন্দন। আমি উন্নয়নে বিশ্বাসী। নিন্দুকেরা কে কি বললো তা নিয়ে ভাবিনা।