• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ফিলিপাইন থেকে পুরো অর্থ ফেরতের ইঙ্গিত

Bank14সিসি ডেস্ক : নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের লোপাট হওয়া অর্থের যে অংশ ফিলিপাইনে রয়েছে, তার প্রায় সবটুকুই ফেরত আসতে পারে। অর্থ চুরির ঘ্টনায় ফিলিপাইনের সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির সদস্য সিনেটর বাম অ্যাকুইনো শুক্রবার তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বাসের ভিত্তিতে অন্যান্য জাঙ্ক অপারেটর, ক্যাসিনো ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে আমাদের চাপ প্রয়োগ করা উচিত। কারণ এটাই সঠিক করণীয়।’

গত মঙ্গলবার অর্থ পাচারের ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যবসায়ী ও ক্যাসিনোর জাঙ্ক অপারেটর কিম ওং ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে অংশ নেন। এর পরই তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের লোপাট হওয়া অর্থের মধ্যে ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১ বিলিয়ন ডলার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরির চেষ্টা করা হয়েছিল । তবে হ্যাকাররা ১০১ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে পাচার করতে সক্ষম হয়। এর মধ্যে তথ্যগত ভুলের কারণে শ্রীলঙ্কায় যাওয়া ২০ মিলিয়ন ডলার ব্যাংকের পক্ষ থেকে আটকে দেওয়া হয়। তবে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের পাঁচটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যাওয়া ৮১ মিলিয়ন ডলারের বৃহৎ অংশ ক্যাসিনো হয়ে হংকংয়ে চলে গিয়েছে বলে দাবি করেছিল দেশটির সংবাদমাধ্যম ইনকোয়েরার। দেশটির ইতিহাসে অর্থ পাচারের সবচেয়ে এ বড় ঘটনাটি তদন্তে কাজ করছে সিনেটের ব্লু রিবন কমিটি। গত মঙ্গলবার কমিটির সামনে হাজির হয়েছিলেন ব্যবসায়ী কিম। ওই সময় তিনি এ ঘটনায় দুই চীনা ব্যক্তি জড়িত বলে জানান। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়কারী প্রতিষ্ঠান ফিলরেমসহ ম্যানিলার বেশ কিছু ক্যাসিনোতে এখনো চুরি যাওয়া অর্থের একটি অংশ রয়ে গেছে বলে জানান কিম।

সিনেটর অ্যাকুইনো বলেন, ‘কিম ওংয়ের ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়া কেবল প্রথম পদক্ষেপ।’ এর আগের শুনানিতে এই ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার ছাড়া নিজের কাছে আরো অর্থ জমা রয়েছে বলে কিম স্বীকার করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন সিনেটর।

কিমের মতোই অন্য পক্ষগুলো স্বেচ্ছায় অর্থ ফেরত দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তবে অর্থ ফেরত দিলেও জড়িতরা অভিযোগ থেকে রেহাই পাবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন অ্যাকুইনো।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ