সিসি ডেস্ক: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তিন ইউপি সদস্য প্রার্থী কোনো ভোট পাননি।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, ওই তিন ইউপি সদস্য প্রার্থীর পরিবার ও নবাবগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলাম, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য একরামুল হক ও শালখুরিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আরিফুল ইসলাম কোনো ভোট পাননি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে একরামুল হক বলেন, তিনি বর্তমান ইউপি সদস্য। এলাকাবাসীর জন্য নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে তিনি পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার নির্বাচনে তাঁর ওয়ার্ড থেকে তিনিসহ নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে অন্য প্রার্থীদের টাকার ছড়াছড়ি দেখে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। এলাকার যেসব নেতা-কর্মীর জন্য তিনি নিঃস্বার্থভাবে পাঁচ বছর কাজ করেছেন, সেসব নেতা-কর্মী টাকার কাছে বিক্রি হয়েছেন। তাই তিনি অভিমানে তাঁর নিজের ও পরিবারের ভোট অন্য প্রার্থীকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আরিফুল ইসলাম বলেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন চাচাশ্বশুর। ভোটের রাতে পরিবারের সদস্যদের সমঝোতার ভিত্তিতে তিনি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নেন। তাই তিনি তাঁর ভোটটি তাঁর চাচাশ্বশুরকে দিয়েছেন।
তবে এ ব্যাপারে জানতে সিরাজুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিনোদনগর ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান সরকার ও শালখুরিয়া ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম আলো