• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জাতীয় বেতন স্কেলের দাবিতে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের মানববন্ধন

iftadie-teacherসিসি ডেস্ক: জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তির দাবি নিয়ে ঢাকায় মানববন্ধন করেছেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন থেকে জানানো হয়, দেশে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার (পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত) ৩৪ হাজার শিক্ষকের মধ্যে সাড়ে ২৬ হাজার শিক্ষক কোনো বেতন পান না। আর ছয় হাজার শিক্ষকের মাসিক বেতন মাত্র এক হাজার টাকা।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাজী রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ১৯৯৪ সালের একই পরিপত্রে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা ৫০০ টাকা করে ভাতা পেতেন। পরে ধাপে ধাপে সরকার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ায় এবং ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক স্কুলের জাতীয়করণ হয়।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা বর্তমানে উচ্চ মূল্যের বাজারে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ১৯৯৪ সালে সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও তা পূরণ হয়নি। সংগঠনের মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী পরিচালিত ৬ হাজার ৮৪৮টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ৩৪ হাজার ২৪০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ হাজার ৫১৯টি প্রতিষ্ঠানের ৬ হাজার ৭৬ জন শিক্ষক ৫০০ টাকা করে বেতন পেতেন। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে তাদের বেতন বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়।বাকি ৫ হাজার ৩২৯টি মাদ্রাসার ২৬ হাজার ৬৪৫ জন শিক্ষক এখন পর্যন্ত বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত। কম বেতন ও একেবারে বেতনবঞ্চিত হওয়ায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ীর শিক্ষকদের জীবন টিকিয়ে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয় মানববন্ধন থেকে।

দাবি পূরণের জন্য সরকারকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আগামী ৩ মে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মোখলেছুর রহমান।

তিনি বলেন, দাবি আদায় না হলে সেই সমাবেশ থেকে অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মানববন্ধনে ‘জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষকরা কেন অনাহারে?’, ‘মাসিক বেতন ১০০০ টাকা, শিক্ষামন্ত্রী ১০০০ হাজার টাকায় একজন মানুষ একমাস চলতে পারবে? আপনি পারবেন কি?’, ‘ডাল-ভাত খাওয়ার সুযোগ দাও, জাতীয় বেতন স্কেল দাও’ প্রভৃতি লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়। অন্যদের মধ্যে সমিতির যুগ্ম মহাসচিব আবু মুসা ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম মানববন্ধনে বক্তব্য দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ