সিরাজগঞ্জ: টিফিনের সময় ছুটি চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে চড় মেরে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর কানের পর্দা ফাটিয়ে দিয়েছেন শিক্ষক। সোমবার দুপুরে বেলকুচি উপজেলার তামাই বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম চর মেরে ইমা খাতুন (১৩) নামে ওই ছাত্রীর কানের পর্দা ফাটিয়ে দেন।
এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এদিকে, ইমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্কুলছাত্রী ইমার বাবা তামাই গ্রামের ইসমাইল হোসেন জানান, টিফিন পিরিয়ডের পর ইমার হঠাৎ পেটে ব্যথা শুরু হলে বাড়ি আসার জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটি চায়। প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম ছুটি না দিয়ে বাম হাত দিয়ে ইমার কানের ওপর সজোরে চড় মারেন। এতে তার কানের পর্দা ফেটে রক্তপাত হয়। খবর পেয়ে তিনি মেয়েকে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
বেলকুচির ইউএনও সাইফুল হাসান জানান, ‘এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে প্রধান করে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘টিফিনের পর ছাত্রীটি হঠাৎ এসে ছুটি চায়। ছুটি দিনে রাজি না হলে সে পিছু পিছু এসে বিরক্ত করতে থাকে। একপর্যায়ে আমি তাকে চড়ের ভয় দেখিয়ে হাত তুলি। এ সময় মেয়েটি এগিয়ে আসায় তার গালে চড় লাগে।’