• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শ্রমিক দিবসে কাজে গিয়ে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

মৃত্যুঢাকা: শ্রমিক দিবসে কর্মস্থলে কাজে গিয়ে পৃথক দুর্ঘটনায় মোট ৪ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন। রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর মতিঝিল থানা এলাকায় নির্মাণ‍াধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মতিঝিল দিলকুশা ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন একটি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সুমন (২২) ও শিমুল (১৬)। মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তাদের ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারপর সেখান থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই দুই শ্রমিককে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহত অন্য দুই শ্রমিক হলেন আক্তার হোসেন (২৭) ও নূরী বেগম (৫০)। ওই দুই শ্রমিকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মর্গে নিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, রবিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় পায়রা স্কুলের সামনের একটি নির্মাণাধীন ভবনের দেয়ালে রং করছিলেন আক্তার হোসেন। এ সময় দড়ির তৈরি ঝুলন্ত সিঁড়ি ছিড়ে তিনি নিচে পড়ে যান। তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। আক্তারের সহকর্মী শাহাদত জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি বরিশাল। তিনি তেজগাঁওয়ে থাকতেন। শাহাদাত বলেন, ‘এক দিন কাজ না করলে সংসার চলে না। এ কারণে সকাল থেকেই আক্তার ও আমি কাজ শুরু করি। কাজ করতে এসে এমন দিনেও তাকে জীবন দিতে হলো।’

এদিকে সকাল ১১টার দিকে কামরাঙ্গীরচর খোলামোড়া এলাকার একটি প্লাস্টিক কারখানায় কাজ করছিলেন নূরী বেগম। এ সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয় বলে সহকর্মী শামিম জানান। নূরী বেগমের একার আয় দিয়েই তার পরিবার চলে। তাই তিনি অন্যান্য দিনের মতো শ্রমিক দিবসেও কাজে এসেছিলেন।

ঢামেক হসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. মুনিয়া সাংবাদিকদের জানান, এমন গরমের দিনে কাজ করতে গেলে অতিরিক্ত পানি পানের প্রয়োজন হয়। পানিশূন্যতার কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দুটি ঘটনায় বাড্ডা ও কামরাঙ্গিরচর থানায় দুটি মামলা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ