• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রবাসী হত্যায় ৪ আসামির স্বীকারোক্তি

কুমিল্লাকুমিল্লা: কুমিল্লায় প্রবাসী মো. স্বপন মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশের নিকট হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রানীগাছ গ্রামের মোজাফফর আলীর ছেলে প্রবাসী মো. স্বপন মিয়া। এ ঘটনায় ওই দিন তার মামাতো ভাই মো. হাবিব ব্রাহ্মণপাড়া থানায় জিডি করেন। একই দিন বিকেল ৩টার দিকে স্বপনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হতে অপহরণকারীরা স্বপনের ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলমের মোবাইলে মুক্তিপণ হিসেবে তিন লাখ টাকা দাবি করে। পরে মোবাইল বিকাশের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর অপহরণকারীরা ওই মোবাইলটি বন্ধ করে দেয়।

এদিকে, গত ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার কোটনা গ্রামের জমি থেকে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করে।

এ খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে ২৮ এপ্রিল বিকালে নিহতের বড় ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ আত্মীয়রা দেবিদ্বার থানায় গিয়ে ছবি এবং শার্ট-প্যান্ট দেখে মরদেহটি প্রবাসী মো. স্বপন মিয়ার বলে শনাক্ত করেন।

অন্যদিকে, পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির এসআই মো. শাহ কামাল আকন্দসহ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোববার চারজনকে আটক করে।

আটকরা হলেন, চান্দিনা উপজেলার বড়কুল গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে কামাল হোসেন ওরফে রানা, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রানীগাছ গ্রামের রাজ্জাকের ছেলে আল-আমিন, দেবিদ্বার উপজেলার কোটনা গ্রামের মৃত জয়নাল হোসেনের ছেলে মজিবুর রহমান ও তার ছেলে নাঈমুল ইসলাম ওরফে নাঈম।

পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মুক্তিপণ আদায়ের জন্য প্রবাসী স্বপনকে তারা মোবাইল ফোনে ডেকে দেবিদ্বারের কোটনা গ্রামে মুজিবুর রহমানের বাড়িতে নিয়ে শরবতের সঙ্গে অতিমাত্রায় চেতনানাশক খাওয়ায়, এতে স্বপন মারা যায়। পরে ওই দিন রাতে গ্রামের একটি ধানক্ষেতে মরহে ফেলে দেয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ