• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে ভাড়াটে বাহিনী দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা

সিসিবিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভাড়াটে বাহিনী দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক ও বর্তমান সদস্য এবং নাগরিক উন্নয়ন কমিটিসহ অভিভাবকবৃন্দ। গত ৩ মে রাতে কামারপুকুর বাজারে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. আব্দুল মান্নান। বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ জাকির হোসেন তালুকদার, কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান জিকো আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আবেদ আলী চৌধুরী, বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আতাউর রহমান, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন হিরো, নাগরিক উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক হাসানুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা জামিরুল ইসলাম, দীলিপ কুমার সিং, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রমুখ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল গফুর ও প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ ব্যাপক দুর্নীতি করে। এর প্রতিবাদ করায় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আতাউর রহমানকে উল্টো হুমকি প্রদান করে। তাছাড়া সাংবাদিকরা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় তাদেরকেও মামলার হুমকি প্রদান করে ওই প্রধান শিক্ষক। এর প্রতিবাদে সাবেক, বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও নাগরিক উন্নয়ন কমিটিসহ অভিভাবকরা কামারপুকুর বাজারে গত ২৮ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৭টি প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের নামে মিথ্যা মামলা হুমকি দিচ্ছে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। গত ১৯ এপ্রিল জনসভার মাধ্যমে ৮ দফা দাবি মেনে নিতে ৭ দিনের সময় বেধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা দাবি না মানায় গত ২৮ এপ্রিল জনসভায় ওই প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে এবং গত ৩০ তারিখ ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আতাউর রহমানকে সভাপতি ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করে অভিভাবকসহ এলাকাবাসী। কিন্তু ওই প্রধান শিক্ষক জোর করে বিদ্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গত ৩ মার্চ সকালে ৪০/৫০ জন স্কুলের বাচ্চা ও বাহিরে থেকে ভাড়াটে বাহিনী নিয়ে এসে জোর করে প্রবেশ করে। এতে করে উভয় পক্ষের মধ্যে মারমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়। পরে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা আন্দোলনকারীদের দাবি দাওয়া মেনে নিয়ে বিদ্যালয়েল সুষ্ঠ লেখাপড়ার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। অন্যথায় যেকোন মূল্যেই সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষনা দেন বক্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ