• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আবাসিক স্কুল হবে প্রতিটি জেলায়: প্রধানমন্ত্রী

ppp3সিসি নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষাকে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের প্রত্যেকটা উপজেলায় একটি করে কলেজ এবং একটি করে সরকারি স্কুল করা হবে। সেই সঙ্গে প্রতি জেলায় একটি করে আবাসিক স্কুলও করা হবে। রোববার (২২ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় আবাসিক স্কুল করে দেয়া হবে। যাতে করে ছেলে-মেয়েদের প্রতিদিন যাতায়াতের কষ্ট করতে না হয়। একই জায়গায় থেকে লেখাপড়া করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষাকে ছড়িয়ে দেওয়া, এটাই আমাদের লক্ষ্য। যেমন : আমাদের পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চল আছে, চরাঞ্চল আছে, বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জে যেখানে হয়তো যাতায়াত এত সহজ না। সেই ধরনেরও জায়গা আছে। প্রত্যেক জায়গায় যাতে শিক্ষার আলো জ্বালা যায়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, যেসব এলাকায় কোনো সরকারি-স্কুল কলেজ নাই, আমরা তার একটা তালিকা ইতিমধ্যে করে ফেলেছি এবং সে অনুযায়ী আগানো হচ্ছে, যেখানে যেখানে নাই, সেখানে করে ফেলা। তারপর উপজেলা বা ইউনিয়ন এগুলোর জনসংখ্যা, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা, সেটার হিসাব করে পরবর্তীতে আরো পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা আমাদের আছে।

শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন যে, এই শিক্ষা নীতিমালা গ্রহণের জন্য জাতির পিতা স্বাধীনতার পরপর ড. কুদরত-এ-খোদাকে দিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন। তিনি ৭৪ সালে সেই রিপোর্টও দিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, তিনি তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। এরপর ৯৬ সালে এসে আমরা আবার একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করি এবং আমরা একটি শিক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করি। কিন্তু তা আর বাস্তবায়ন করতে পারিনি। ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতা থেকে চলে যাই।

শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকারে এসেই আমরা সেই শিক্ষা নীতিমালা শুধু গ্রহণই করিনি, আমরা বাস্তবায়নও করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার পিছনে আমরা যেটা খরচ করছি এটাকে আমরা খরচ মনে করি না। এটাকে আমরা বিনিয়োগ মনে করি। কারণ সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষাখাতে পুঁজি বিনিয়োগের চাইতে উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ আর কিছু হতে পারে না বলে গেছে জাতির পিতা। বর্তমান সরকার সেই কথাই মাথায় রেখে দেশের শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করছে।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, সবাইকে মন দিয়ে লেখা-পড়া করতে হবে। কারণ এটাই একটা সম্পদ যা কেউ নিতে পারে না। টাকা পয়সা সব নিতে পারলে শিক্ষা কেউ নিতে পারে না। এটাই বড় সম্পদ। যারা পুরস্কার পেয়েছে এবং যারা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সত্যিই উজ্জ্বল।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকতে পারে না। এ জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়ে আমরা বসে থাকিনি, এর বাস্তবায়ন করছি। এখন ছেলে মেয়রা হাতের নাগালে সব ধরনের প্রযুক্তি পাচ্ছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী দেশের ছেলেমেয়েদের প্রশংসা করে বলেন, বিশ্বের বহুদেশে গেছি, থেকেছি এবং দেখেছি। তাদের তুলনায় আমাদের ছেলে-মেয়েরা অনেক মেধাবী। অনেক দেশের ছেলে-মেয়েদের দুইয়ের সাথে দুই যোগ করলে কত হবে জিজ্ঞেস করলে তারা ট্যাব খুলে যোগ করে। আর আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা মুখেই বলে দিতে পারে ৪ হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ