সিসি নিউজ: নীলফামারীর ডোমার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের জেষ্ঠ্য যুগ্ম আহবায়ক রাকিবুল হানান পাপ্পু (২৩) হত্যা মামলায় তিন জনকে মুত্যু দন্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে নীলফামারী অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. মাহবুবুল আলম এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন বলে জানান আদালতের অতিরিক্ত পিপি আজিজুল ইসলাম প্রামানিক।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের বাকডোকরা গ্রামের আব্দুল হাকিম মুহুরীর ছেলে কামরুজ্জামান সেবু (৩২), লালমনিরহাট জেলা সদরের নওদাবস গ্রামের মৃত. আনছার আলী মন্ডলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম নাদের (৪৬) ও একই জেলার ছাটহর নারায়ন গ্রামের মৃত. প্রসন্ন কুমার রায়ের ছেলে বুদ্ধদেব রায় বৈদ্য। এর মধ্যে সিরাজুল ইসলাম নাদের ও বুদ্ধদেব রায় বৈদ্য পলাতক রায়েছে।
অতিরিক্ত পিপি আজিজুল ইসলাম প্রামাণিক জানান, ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই রাত আটটায় ডোমার পৌরসভার চিকনমাটি মহল্লার রেজাউল করিমের ছেলে ও ডোমার সরকারী কলেজ ছাত্রদলের জেষ্ঠ্য যুগ্ম-আহবায়ক রাকিবুল হাসান পাপ্পুকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে ডোমার-চিলাহাটি সড়কের মাহিগঞ্জ বাজারের কাছে নিয়ে আসামীরা জবাই করে ফেলে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায় আসামীরা।
এ ঘটনার পরের দিন ১৮ জুলাই পাপ্পুর চাচা মখদুমুল হক চানু কামরুজ্জামান সেবুকে প্রধান আসামী করে ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আদালতে মামলার প্রধান আসামী কামরুজ্জামান সেবুর উপস্থিতিতে মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আসামীদের প্রত্যেকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন এ রায় দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী সিরাজুল ইসলাম ও বুদ্ধদেব রায় পলাতক রয়েছেন।
আদালতের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল ওয়াহাব চৌধুরী বলেন, আসামীদেও স্বপক্ষে প্রমানাদি আদালতে উপস্থাপন করা হলেও আদালত সেটি পর্যালোচনা না করে সন্দেহের ভিত্তিতে এই রায় দিয়েছেন। এতে আসামীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। মামলার পূর্নাঙ্গ রায় পাওয়ার পর ন্যায় বিচার পেতে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।