• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জলঢাকার ১১টি ইউনিয়নে আ.লীগ ৫টিতে জয়ী

নির্বাচননীলফামারী প্রতিনিধি: ইউনিয়ন পরিষয়দ নির্বাচন পঞ্চম দফা নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলার মোট ১১টি  ইউনিয়নে  ৫টিতে আওয়ামী লীগ, ৪টিতে আ.লীগ বিদ্রোহী ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী  বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকমর্তাগণ বেসরকারি ভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বলে জানান জেলা নির্র্বাচন কর্মকর্তা মো. জিলহাজ উদ্দিন।
আওয়ামী লীগ:
শিমুলবাড়ি ইউনিয়নে আ.লীগ প্রার্থী হামিদুর রহমান  নির্বাচিত হয়েছেন।  তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে ৬ হাজার ৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী আ. লীগ  বিদ্রোহী প্রার্থী আনসারুল আলম আনারস প্রতীক নিয়ে  পান ৪ হাজার  ২৬৮ ভোট।
কাঁঠালী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ  প্রার্থী সোহরাব হোসেন তুহিন নির্বাচিত হয়েছেন।  তিনি নৌকা প্রতীক  নিয়ে ৪ হাজার ৯৮০ পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (জামায়াত) প্রার্থী মিজানুর রহমান চশমা প্রতীক নিয়ে পান ৩ হাজার ৯৬৫ ভোট।
খুটামারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবু সাইদ শামীম  নির্বাচিত  হয়েছেন।  তিনি  নৌকা প্রতীক  নিয়ে ৭ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী  আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী  মাফুজার রহমান আনারস প্রতীক  নিয়ে  পান ৬ হাজার ৬৪২ ভোট ।
কৈমারী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল হক বাবু নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীক  নিয়ে ১০ হাজার ৩০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনুজ্জামান লিটন  মোটরসাইকে প্রতীক নিয়ে পান ৫হাজার ১৩৪ ভোট।
শৌলমারী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রানজিৎ কুমার রায় নির্বাচিত  হয়েছেন।  তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৬২১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী  স্বতন্ত্র প্রার্থী  মো. নূরুজ্জামান মোটরসাইকেল  প্রতীক নিয়ে  পান ৩ হাজার ৫৩৮ ভোট।
আ.লীগ  বিদ্রোহী:
বালাগ্রাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রেহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল ইসলাম লিপন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে ৬ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগে প্রার্থী  আহমেদ হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পান ৫ হাজার ৩১৫ ভোট।
ধর্মপাল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রেহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জামিনুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চশমা প্রতীক  নিয়ে ৪ হাজার ৪০২ ভোট পেয়েছেন। তার  নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন আনারস প্রতীক নিয়ে পান ৪ হাজার ৩০১ ভোট।
গোলনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রেহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আলম কবীর ওরফে পান কবীর নির্বাচিত  হয়েছেন। তিনি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৮ হাজার ৪৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মশিউর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে  পান ৬ হাজার ১১৪ ভোট।
মীরগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রেহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হুকুম আলী খান নির্বাচিত  হয়েছেন। তিনি ঘোড়া প্রতীক  নিয়ে ৪ হাজার ৩৭৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী অপর বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম মোস্তফা মানিক মোটরসাইকেল প্রতীক  নিয়ে পান ৩ হাজার ৫৫০ভোট।
অন্যান্য/ স্বতন্ত্র: গোলমুন্ডা ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী তোজাম্মেল হোসাইন নির্বাচিত  হয়েছেন। তিনি  দুু’টি পাতা প্রতীক  নিয়ে ৫ হাজার ১৮০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী  মিজানুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে  পান ৩ হাজার ৯৮০ভোট।
ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী রোকনুজ্জামান খোকন নির্বাচিত  হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ১৪৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম মুকুল নৌকা প্রতীক  নিয়ে পান ৩ হাজার ৬১২ ভোট।
জেলা নির্র্বাচন কর্র্মকর্তা  মো. জিলহাস উদ্দিন  জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সকল প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কোন প্রকার সহিংসতা ছাড়াই সুষ্ঠ্য ভাবে ভোটগ্রহণ শেষে সকলের সহযোগীতায়  অবাদ ও  নিরেপেক্ষ নির্বাচন শেষ করায়।
তিনি আরো বলেন,  এর আগে সকলের সহযোগীতায়  আগের তিনটি ধাপে নীলফামারী জেলার তিনটি উপজেলা  সদর, ডোমার ও কিশোরগঞ্জের ৩৬ টি ইউনিয়নে কোন প্রকার সহিংসতা ছাড়াই অবাদ ও নিরেপেক্ষ নির্বাচন উপহাড় দেয়া সম্ভব হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ