ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি : গাছ চুরির অভিযোগ এনে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগটি করেন ডোমার বনবিভাগের সদর বিট কর্মকর্তা কামাল পাশা।
অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের কাঠ উদ্ধার করেছে। এ দিকে পুলিশ কর্তৃক কাঠ উদ্ধারের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে পুলিশের হাতে এক যুবলীগ নেতা লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে কালবৈশাখী ঝড়ে ডোমারের মির্জাগঞ্জে বনবিভাগের একটি বিশাল আকারের গাছ উপড়ে পড়ে। সেই গাছটি গত ২৫ মে সেখান থেকে রেঞ্জ কর্মকর্তা সহিদুর রহমান ডোমারের আন্ধারুর মোড়ের রবিউল ইসলামের করাত কলে নিয়ে ফার্নিচার তৈরীর কাঠ বানান। পরে ওই কাঠগুলো নিতাই কাঠ ফার্নিচারের দোকানে মজুদ করেন।
ডোমার থানা সূত্র মতে, অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নিতাই কাঠ ফার্নিচারের দোকানে অভিযান চালিয়ে কাঠগুলো উদ্ধার করা হয়।
এদিকে ডোমার উপজেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, পুলিশ কর্তৃক ওই কাঠ উদ্ধারের সময় ডোমার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদ রাসেল মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছিল। এ সময় ডোমার থানা পুলিশ তাকে লাঞ্ছিত করে। পরে এলাকার লোকজন ছুটে এসে যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করে। এ নিয়ে উত্তেজনার এক পর্যায়ে যুবলীগ নেতারা ডোমার থানা ঘেরাও করে। পরে থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে যুবলীগ নেতা-কর্মীরা ফিরে যায়।
গাছ চুরি করে কাঠ করার ব্যাপারে রেঞ্জ কর্মকর্তা (ফরেষ্টার) সহিদুর রহমান ফোনে জানান, কাঠগুলো তার নিজের এবং চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, ‘গাছটি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নিলামে বিক্রি হয়েছিল। আমার এক আত্মীয় ক্রয় করেছেন। গাছ ক্রয়ের সকল বৈধ কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে।’