সিসি নিউজ: মাদারীপুরের কলেজশিক্ষক রিপন চক্রবর্তীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় রিমান্ডে থাকা গোলাম ফাইজুল্লাহ ফাহিম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে এ বন্দুকযুদ্ধ হয়।
শনিবার সকালে ফাহিমের লাশ মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মিয়ারচরে ওই ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে ফাহিম জানিয়েছিল মিয়ারচরে হিযবুত তাহরীরের লোকজন আছে। ভোররাতে তাকে নিয়ে সেখানে অভিযানে যায় পুলিশ। সেখানে যাওয়ার পর ফাহিমকে ছিনিয়ে নিতে হিযবুত সদস্যরা গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় ফাহিম।’ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে শুক্রবার মাদারীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফাহিমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ফাহিমের দেয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ওই হামলার ঘটনায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। বাকি পাঁচ আসামি হলেন সালমান তাকসিন ওরফে আবুল হোসেন ওরফে সালিম (১৯), শাহরিয়ার হাসান ওরফে পলাশ (২২), জাহিন (২৩), রায়হান (২৪) ও মেজবাহ (২৪)। পুলিশ জানায়, ফয়জুল্লাহর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত ফাহিম ঢাকার উত্তরার একটি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পুলিশের দাবি, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরে যুক্ত ছিলেন।
গত বুধবার বিকেলে মাদারীপুর সরকারি নাজিমউদ্দীন কলেজের প্রভাষক রিপন চক্রবর্তীকে তার বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালাতে থাকে। তখন জনতা ধাওয়া করে ফয়জুল্লাহকে আটক করে পুলিশে দেয়।