• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরে একাদশে ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা

ভর্তিমাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: অনলাইনে এইচএসসিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় ব্যাপক জটিলতা দেখা দিয়েছে। কাঙ্খিত কলেজ বাদ অন্য কোন কলেজ মনোনিত করায় চরম বিপাকে ও বিড়ম্বনায় পড়েছেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।
চলতি ২০১৬ এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের ১০টি কলেজে ভর্তি আবেদন করার পর তাদের কাঙ্খিত কলেজ বাদ দিয়ে দূরের অন্য কোন কলেজে ভর্তির জন্য মনোনিত করা হয়েছে।
দিনাজপুরের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পছন্দের কলেজে আবেদন করেছেন অথচ তাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে বিভিন্ন উপজেলাসমুহের কলেজ ছাড়াও ঠাকুরগাও, রংপুর, কক্সবাজার বগুড়া, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ। ফলে মেধাবী গরীব কোন শিক্ষার্থী বিশেষ করে কোন ছাত্রীর অভিভাবকের পক্ষে জেলার বাইরে দূরের কোন কলেজে পড়ানো সম্ভব হবে না। এসব ছেলে-মেয়েদের কলেজে ভর্তি নিয়ে চরম দুঃচিন্তায় পড়েছেন তাদের অভিভাবকেরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রীর অভিভাবক বলেন, আমি সামান্য বেতনে চাকুরি করি। এ অবস্থায় আমার  মেয়েকে দূরের বেসরকারি কোন কলেজে পড়ানো সম্ভব না। তাছাড়া দুরে রেখে পড়াব তার নিরাপত্তার নিয়েও চিন্তিত। এমন অনেক অভিভাবক তাদের ছেলে-মেয়েদের কলেজে ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
এ ব্যাপারে শনিবার (১৮ জুন) দুপুরে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহমেদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সিসি নিউজকে জানান, অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ও আলোড়ন সৃষ্টিকারি সিদ্ধান্ত। নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে নিজ পছন্দের ১০টি কলেজের নাম চাওয়া হয়েছে। যারা যে কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে তাকে সেখানেই ভর্তি হতে হবে। পছন্দের কলেজে যদি ওয়েটিং লিষ্টে থাকে, তাহলে তাকে অপেক্ষা করতে হবে। পছন্দটি সম্পূর্ণ আবেদনকারীর। এখানে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড কিংবা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কিছু করার নেই।
তিনি আরো বলেন, আবেদনকারীর পছন্দের ১০টি কলেজে ভর্তি সুযোগ না দিয়ে আবেদনের বাইরে যদি অন্য কোন কলেজের নাম আসে তাহলে তা আমাদের জানাতে হবে। আন্তঃবোর্ড কন্ট্রোল কমিটি রয়েছে, সেই কমিটিকে জানালে তারাই তাৎক্ষনিক এ ব্যাপারে সমাধান দিবেন।
ছাত্রছাত্রীরা কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ পাবে কিনা এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বোর্ড চেয়ারম্যান জানান, কলেজ পরিবর্তন হচ্ছে শিক্ষা বোর্ড এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের বিষয়। এর সাথে ভর্তি প্রক্রিয়ার কোন সম্পর্ক   নেই। অনলাইন ভর্তি পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বচ্ছভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া করা। সকল শিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। যাতে করে ছাত্রছাত্রীদের কোন প্রকার কারচুপি বা হয়রানীর শিকার হতে না হয়। যোগ্যতা অনুযায়ী যে যার মত ভর্তি হতে পারবে। অনলাইন ভর্তি পদ্ধতির কারনে সব ধরনের ভর্তি বানিজ্য নিয়ন্ত্রন করায় আমরা সফলতা অর্জন করেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ