• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

‘বাবুল আক্তারকে গৃহবন্দী করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল’

বাবুলসিসি ডেস্ক: স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে গৃহবন্দী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করে ওই কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, শুক্রবার রাতে প্রথমে আইজিপির বাসায় তাকে চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সদরদপ্তরের একজন ডিআইজির উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন বাবুল আক্তারকে গৃহবন্দী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা না করে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং একজন ইন্সপেক্টর রাজধানীর মেরাদিয়া ভুঁইয়া পাড়ায় তাতে তার শ্বশুর বাড়িতে রেখে আসেন।

ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, “এর কয়েক ঘণ্টা পর শীর্ষ প্রধানের সম্মতি নিয়ে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”

শুক্রবার গভীর রাতে পুুলিশ সুপার বাবলু আক্তারকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। একজন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং একজন ইন্সপেক্টর তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে শীর্ষ এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে হবে জানিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে যান।

এর আগে চট্টগ্রামে আটক পুলিশের কথিত তিন সোর্সকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ডিবি’র একটি সূত্র চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছে, ওই ৩ কথিত সোর্সকে বাবুল আক্তারের মুখোমুখি করে মিতু হত্যা মামলার বিষয়ে পাওয়া তথ্য-প্রমাণগুলো যাচাই করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর শনিবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেন, বাবুল আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। মিতু হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে ধরে ফেলেছে পুলিশ। হত্যাকারীদের দেওয়া তথ্য এবং বাবুল আক্তারের তথ্য মিলিয়ে দেখতে তাকে পুলিশ হেফোজতে নেওয়া হয়।

তিনি জানান, বাবুল আক্তারের তিনজন সোর্সকে আটক করেছে পুলিশ। ওই সোর্সদের সঙ্গে বাবুল আক্তারের কোনো সম্পৃক্তা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মিতু হত্যা মামলায় তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে অবহিত করতে বুধবার থেকে ঢাকায় অবস্থান করছেন চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার।

গত ৫ জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে শিশু সন্তানের সামনে কুপিয়ে ও গুলি করে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করা হয়।

পরের দিন ভোরে নগরীর বাদুরতলা বড় গ্যারেজ এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর পুলিশ দাবি করে বাবুল আক্তারের জঙ্গিবিরোধী ভূমিকার কারণেই তার স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সারাদেশে শুরু হয় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হয় কমপক্ষে ৬ জঙ্গি।

উৎস: চ্যানেল আই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ