• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খুনের মামলার সাক্ষী দিল টিয়া

টিয়াআন্তর্জাতিক ডেস্ক: একটি টিয়াপাখি ধরিয়ে দিল খুনিকে৷ আমেরিকায় একজন স্ত্রীর বিরুদ্ধে তার স্বামীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে৷ গ্লেনা ডুরামের বিরুদ্ধে তার স্বামী মার্টিন ডুরামকে হত্যা করার অভিযোগ দায়ের হয়৷ গত বছর মে মাসে মার্টিনের বাড়ি থেকেই তার দেহ মেলে৷ তাদের বাড়ি মিচিগানের স্যান্ড লেকে৷
মার্টিনকে তার স্ত্রী গ্লেনার পাশ থেকেই মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল৷ মার্টিনের পরিবার বলে যে এই টিয়াপাখিটি মার্টিনদের পোষা পাখি৷ সেই পাখিটি এই কেসের অন্যতম সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়৷

হত্যাকাণ্ডটির পর একটি ভিডিওর ভিত্তিতে এমনটাই জানা গিয়েছে৷ তার মৃত্যুর পর থেকেই টিয়াপাখিটি চিৎকার করতে শুরু করে৷ বিভিন্নভাবে যেন কিছু বোঝানোর চেষ্টা করে৷
নেওয়াগোর অ্যাটর্নি রবার্ট স্পিংস্টিড বলেছেন তিনি পাখিদের ভাষা বোঝার জন্য চর্চা করেছেন৷ পাখিটির কথা থেকেই তার তদন্ত করতেও অনেক সুবিধা হয়েছে৷

তিনি আরো জানিয়েছেন তার একবার আফ্রিকান তোতাপাখি সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছিল আর সেই জানাই তাকে এই কেসে এতটা সাহায্য করল৷ বিচারের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে সাহায্য করল এই টিয়া৷

পুলিশের তরফ থেকে জানা গিয়েছে এই ঘটনা সম্পর্কে গ্লেনা ডুরামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি এই ঘটনা সম্পর্কে সব কিছুই জানি কিন্ত আমি আমার স্বামীকে খুন করিনি৷

তদন্তকারীরা এই ঘটনাটিকে একটি চক্রান্ত কিংবা আত্মহত্যা বলে দাবি করছেন৷ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ গ্লেনার লেখা তিনটি সুইসাইড নোট পায়৷ পুলিশি তদন্ত আরো একটি বিষয় সামনে নিয়ে আসছে তা হল এই ডুরাম দম্পতির অর্থনৈতিক সমস্যা ছিল৷ তবে ঠিক কী কারণে এই হত্যাকান্ডটি হল তা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে৷

গ্লেনার লেখা তার সুইসাইড নোটে তার সন্তানের কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে ও বলা হয়েছে তাকে ভুলে যেতে৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ