কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ক্ষমতাশীন দলের নেতাদের দলাদলীর কারণে রৌমারী থেকে ফেরত গেছে সাধারণ ত্রাণ (জিআর) এর ৯৯ মে. টন চাল। ৩০ জুন রাত পৌনে ১১ টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিনু ও অপর পক্ষে সিনিয়র সহসভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম শালু জিআর নিয়ে উত্তেজিত বাক্য বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ও তার উপস্থিতিতে এমন ঘটনায় হতবাক হয়ে যান সবাই। তবে চাল ফেরত যাওয়ার পর উভয় পক্ষ পরস্পরকে দোষারোপ করছেন। শহীদুল ইসলাম শালুসহ সুবিধা বঞ্চিত অনেক নেতা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে দুস্থদের জন্য এ ত্রাণ বরাদ্দের বেলাতেও তারা ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। বিগত সময়ে তারা অনেক খেয়েছেন আর তাদের খেতে দেয়া হবে না। তারা আরও বলেন, সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিনু, যুবলীগের সভাপতি হারুনর রশীদ হারুন, সাধারণ সম্পাদক জাইদুল ইসলাম মিনু ও আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদককে নিয়ে তারা ‘ফাইভ স্টার’ বানিয়েছেন। এই ফাইভ স্টাই দিন দিন হচ্ছেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। ত্যাগী নেতা ও অন্যান্যরা বরাবরেই থেকেছেন সুবিধা বঞ্চিত। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আ’লীগ সভাপতি জাকির হোসেন। তিনি বলেন, শালুর জন্যই প্রকল্পটি ফেরত গেছে। অসময়ে তারা প্রকল্প তুলে লুটেপুটে খাবে এটাই বাধা দিয়েছিলাম আমরা। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাইদুল ইসলাম মিনু বলেন, আওয়ামী লীগের দুই নেতা ও যুবলীগের দুই নেতা ছাড়া রৌমারীতে কোন নেতা নেই। প্রকল্পের ব্যাপারে আমাদের কথাই শেষ কথা। আমরা যা করবো তাই হবে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন তালুকদার বলেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে দুটি গ্রুপ হওয়ায় আমরা আপাতত প্রকল্পটি স্থগিত রেখেছি। প্রকল্পটি যাতে ফেরত না যায় এর ব্যাপারে পরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।