নীলফামারী প্রতিনিধি: বাংলাদেশের অভ্যান্তরে বিলুপ্ত ৮৮ টি ছিটমহল গুলোর নব্য বাংলাদেশী নাগরিকদের ভোটার তালিকা প্রনোয়নের কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহের পর এবার জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়নে ছবি তোলার কাজ শুরু হয়েছে। যা ২৫ জুলাই পর্যন্ত ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন চলবে। তবে উচ্চ আদালতের একটি রিটের কারনে নীলফামারীর চারটি বিলুপ্ত ছিটমহলের ভোটার তালিকা প্রনয়নের কাজ স্থগিত কারা হয়েছে।
জানা যায়, তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা গত ১০ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ৭দিন প্রত্যেক বিলুপ্ত ১১১টি ছিটমহলের মধ্যে বসবাসরত নাগরিকদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তথ্য সংগ্রহে কাজ শেষ করেছে। গতকাল রবিবার থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য ছবি তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এটি চলবে আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত।আগামী ১ আগষ্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। খসড়া ভোটার তালিকা সংশোধন করা হবে ২৮ জুলাই। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর। তবে উচ্চ আদালতে সীমানা জটিলতা নিয়ে একটি রিট মামলা থাকায় নীলফামারীর ৪টি বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দাদের ভোটার হবার কার্যক্রমের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলা নির্বাচন অফিসার জিলহাস উদ্দিন জানান, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার অভ্যন্তরে যে চারটি বিলুপ্ত ছিটমহল রয়েছে তার ভোটার তালিকা প্রনয়নের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পূর্বের জনগননা অনুযায়ী ওই চার বিলুপ্ত ১১৯টি পরিবারের ৫৪৫ জন সদস্য রয়েছে। ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন বিলুপ্ত ছিটমহলের সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করায় এবার ওই এলাকার খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নির্বাচনও স্থগিত রাখা হয়।
এ ব্যাপারে রিটকারী ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন জানান, উচ্চ আদালত শুধু একটি নয় ডিমলার চারটি বিলুপ্ত ছিটমহল সংক্রান্ত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১৫ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত গেজেটের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছেন। ওই রিটের কারনে ইউপি নির্বাচনে ডিমলার খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।