• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

চিলাহাটিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ

নির্যাতনসিসি নিউজ: ষষ্ঠ শ্রেনীর এক ছাত্রকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারী ডোমার উপজেলার চিলাহাটি মার্চে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃস্টি করেছে।

নির্যাতনের শিকার ওই বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র ইউনুস আলী ( ক শাখার রোল নম্বর ৫৭) ভোগডাবুরী ইউনিয়নের নিজ ভোগডাবুরী প্রামানিক পাড়ার ইলিয়াস আলীর ছেলে।

বুধবার ওই স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা জানায়,  মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিদ্যালয়ের অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শেষ হলে ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র ইউনুস আলী মুখ দিয়ে শিষ  দেয়।

এই শিষ দেয়ার অপরাধে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ছুটে এসে ওই ছাত্রের জামার কলার ধরে উপর্যুপুরী একাধারে চর থাপ্পর মারতে থাকে। এ সময় ছাত্রটি প্রধান শিক্ষকের পা ধরে  শিষ দেয়ার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায়। কিন্তু এরপরেও প্রধান শিক্ষক ক্ষান্ত না হয়ে পায়ের  জুতা খুলে মারতে মারতে একটি শ্রেনী কক্ষে নিয়ে আরো বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ ঘটনায় ছাত্রটি অসুস্থ্য হয়ে পড়ে এবং তার নির্যাতনে তার শরীর ফুলে যায়। মারপিটের কারনে এখন সে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রলাপ বকছে।

ছাত্রের বাবা ইলয়াস আলী বলেন, এটা কি ধরনের শাসন। আমি এর বিচার চাই।

মা রিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ছেলে অপরাধ করলে শিক্ষক শাসন করতে পারেন, কিন্তু ওই শিশু বাচ্চাকে এমনভাবে মেরেছে ওর গাল মুখ ফুলে গেছে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে, রাতে তার প্রচন্ড জ্বর এসেছে। জ্বরে সে প্রলাপ বকছে। আমার একমাত্র ছেলেকে মারপিটের ঘটনায় আমি প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।

এলাকাবাসী জানায়  ঘটনাটি শুনেছি, একটি কোমলমতি শিশুকে এভাবে নির্যাতন করা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। এটা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানায়।

এ বিষয়ে কথা বললে, প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, শিস দেয়ার অপরাধে তাকে আমি দুটি থাপ্পর দিয়েছি, আর বলেছি এর পরে আবার শিস দিলে তোকে চাপ মাটি দিব। গালমন্দ করা ও জুতা দিয়ে পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোমিনুল হক বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমি বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি প্রধান শিক্ষক তাকে কয়েকটা টালা থাপ্পর দিয়েছেন। এ নিয়ে আমরা কমিটির সবাই মিলে বসে কি করা যায় সিদ্ধান্ত নিব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ